
শেষ আপডেট: 16 April 2024 20:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্প্যানিশ কোচ হাবাস এসে মোহনবাগানের শিবির অনেকটা বদলে দিয়েছিলেন। তিনি দলের নেতা করেছেন স্থানীয় কোনও তারকাকে। যিনি জানবেন সমর্থকদের মনের কথা, তাঁদের আবেগ। সেই কারণেই শুভাশিস বসুকে দলের অধিনায়ক করেছিলেন।
সেই গর্বিত দলনেতা উচ্ছ্বসিত বাগানের এমন সাফল্যে। আইএসএলের লিগ শিল্ড জয়কে শুভাশিস ব্যাখ্যা করেছেন বাংলার নিদারুণ সাফল্য হিসেবে। তিনি আইএসএলের ওয়েবসাইটে সাক্ষাৎকারে বলেছেন, বাংলায় এই নিয়ে মোট চারটি ট্রফি এল। আমরা ডুরান্ড কাপ জিতেছিলাম। ইস্টবেঙ্গল জিতেছিল সুপার কাপ, মহামেডান আই লিগ জয়ের পরে আমরা আইএসএলের লিগ-শিল্ড জিতলাম। বাংলার ফুটবলের কাছে এটা দারুণ বিষয়।
শুভাশিস অবশ্য এই সফলতার মধ্যেও নিজের অতীত ভোলেননি। তাই ক্লাবের যে কর্তা সঞ্জয় (বাপ্পা) ঘোষ তাঁকে সই করানোর বিষয়ে প্রধান ভূমিকা নিয়েছিলেন, তাঁকেও সমান ধন্যবাদ জানিয়েছেন। স্পোর্টিং দ্য ক্লাব থেকে শুভাশিসকে বাগানে সই করানো হয়। সেই বিষয়ে বড় ভূমিকা নেন সঞ্জয়।
এদিন তিনি বলছিলেন, এতেই তো মানুষ হিসেবে শুভাশিসের চরিত্র বোঝা যায়। আগের কথা কিছুই ভোলেনি। বাগানে আসার পর থেকে নিজের কার্যকারিতা বোঝানোর চেষ্টা করেছেন দলের এই ডিফেন্ডার।
সঞ্জয় বলছিলেন, আমার মতে মোহনবাগানের এই সাফল্যের জন্য দুটি বিষয় তুলে ধরতে চাই। এক, দলের কোচ হাবাসের কোচিং ও ম্যান ম্যানেজমেন্ট। দ্বিতীয়ত, দলের ভারতীয় ফুটবলারদের সার্বিক পারফরম্যান্স। সেই তালিকায় রয়েছেন মনবীর, লিস্টন, শুভাশিস, বিশাল কাইথরা।
কোচ হাবাস যে দলের কলুষিত ড্রেসিংরুমে ঐক্য এনেছেন, তা কামিন্স ও সাদিকুর মধ্যে ঝামেলার অবসানেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। ওয়ার্ম আপ ম্যাচে কামিন্স ও সাদিকুর দুই বিদেশির মধ্যে তুমুল বিতর্ককে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেননি বর্ষিয়ান কোচ।
মোহনবাগানের এমন সাফল্যের পরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে সিপিআই (এম) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বিশেষ বার্তা দিয়েছেন।