দ্য ওয়াল ব্যুরো: হয়তো মনিপুরে গ্রামের বাড়িতে ফিরলেন মীরাবাই চানু, আর শুনলেন তিনি অলিম্পিকে সোনা পেয়েছেন। কীরকম হতে পারে তাঁর মনের অবস্থা? এদিনই দিল্লিতে ফিরেছেন চানু, তখনই শুনলেন তিনি ৪৯ কেজি বিভাগে সোনা পেতে পারেন। কারণ চিনের যে ভারোত্তোলক সোনা পেয়েছিলেন, সেই হাউ জিঝুইকে ডোপ টেস্টের জন্য ডাকা হয়েছে।
তাঁর মূত্রে যদি নিষিদ্ধ ওষুধের নমুনা মেলে, তা হলে তাঁকে নির্বাসন দেওয়া হবে। যদিও ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, কেন পদক জয়ের দু’দিন বাদে চিনের ওই ভারত্তোলকের পরীক্ষা করা হল। কী তার কারণ, নিয়ম হল, ফাইনাল ইভেন্টের পরেই ডোপ টেস্টের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, অলিম্পিক সংস্থা অভিযোগ জানানোর পরেই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় পরীক্ষার জন্য।
চানু রুপো জয়ের পরেই জানিয়েছিলেন, তিনি সোনার প্রত্যাশাই করেছিলেন। সেই মতো নিয়েছিলেন প্রস্তুতি। গত রিও অলিম্পিকে চোট পাওয়ার পরেই তিনি ছিটকে গিয়েছিলেন। প্রায় দু’বছর তিনি ঘরবন্দী ছিলেন। তারপর ফেরেন ধীরে ধীরে, এমনকি সেইসময় কোনও টুর্নামেন্টই ছাড়েননি তিনি। এমনকি এসেছিলেন কলকাতায় জাতীয় ভারোত্তোলক প্রতিযোগিতাতেও।
এবার টোকিওতে চিনের ওই ভারোত্তোলক স্ন্যাচ বিভাগে ৯৪ কেজি ওজন তুলেছেন। সেখানে চানু ওই বিভাগে তোলেন ৮৭ কেজি। সেখানেই পার্থক্য হয়ে যায় দু’জনের মধ্যে। সব মিলিয়ে নজিরও গড়েছেন চিনের ভারোত্তোলক। সেইসময়ই সন্দেহ দানা বাঁধে সকলের। কারণ স্ন্যাচিং বিভাগে ওজনকে ধরে রাখতে হয় অনেকক্ষণ।
ডোপ পরীক্ষার পরেই চানুকে অলিম্পিক গেমস কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিয়েছে, ভিলেজ ছাড়া যাবে না। সেই জন্য চানু ও ইন্দোনেশিয়ার যে ভারোত্তোলক ব্রোঞ্জ পেয়েছিলেন, তাঁরা গেমস ভিলেজ ছেড়ে বেরিয়ে গেলেও চিনের ওই ভারোত্তোলক এখনও রয়েছেন টোকিওতে।