Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
নববর্ষে রাজ্যপালের মুখে ‘পরিবর্তনের’ ডাক! ‘লাটসাহেব’কে নিয়ে ছেড়ে কথা বললেন না মমতাওস্যালাড খেলেই সুস্বাস্থ্য নয়! ভুলেও কাঁচা খাবেন না এই ৩ সবজি, কারণ জানুনইরানকে কি অস্ত্র দিচ্ছে চিন? শি জিনপিংয়ের চিঠির পর জল্পনা ওড়ালেন ট্রাম্প'দেশু ৭'-এ অনির্বাণ, এবার ‘বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা’য় কোন নায়কের এন্ট্রিতে চমক?এখনই সুরাহা নেই! রান্নার গ্যাসের আকাল চলতে পারে আরও ৪ বছর, দুশ্চিন্তা বাড়বে ভারতের আমজনতার?লোকসভার আসন বেড়ে হচ্ছে ৮৫০, কতটা লাভ বাংলার? সবচেয়ে বেশি ও কম সিট বাড়ছে কোন রাজ্যে?নববর্ষে কলকাতা সফরে আইওসি-র শীর্ষ কর্তা, এলপিজির বাস্তব পরিস্থিতি দেখতে হাজির গ্যাসের দোকানেও৮ হাজার লিটার গঙ্গাজল, গরু আর রুপোর কলসী! ফিরে দেখা জয়পুরের মহারাজার আজব লন্ডন-সফরগুয়ার্দিওলা-পরবর্তী ফুটবলের নমুনা মেলে ধরেছে কোম্পানি আমলের বায়ার্ন! আজ সামনে রিয়ালআশা ভোঁসলের শেষযাত্রায় যাননি শাহরুখ-সলমন! বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে সামনে এল আসল কারণ

গলায় সোনার মেডেল, চোখের জলে ঝরছে মৃত বাবার স্মৃতি, অলিম্পিক্সের দ্রুততম কন্যাকে চেনেন?

পূর্ব ওয়েস্ট ইন্ডিজের ছোট্ট দেশ সেন্ট লুসিয়া। এই ক্যারিবিয়ান দেশের মুকুটে এই প্রথম অলিম্পিক্স পদকের পালক পরালেন আলফ্রেড।

গলায় সোনার মেডেল, চোখের জলে ঝরছে মৃত বাবার স্মৃতি, অলিম্পিক্সের দ্রুততম কন্যাকে চেনেন?

জুলিয়েন আলফ্রেড।

শেষ আপডেট: 4 August 2024 20:17

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মেয়েদের ১০০ মিটার স্প্রিন্ট নিয়ে অলিম্পিক্স ময়দানে উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। কে জিতবেন, তাই নিয়ে জল্পনার গোড়ায় উঠে এসেছিল একটি নাম। শা’কারি রিচার্ডসন। সকলে মনে করেছিলেন, তিনিই পাবেন সোনার পদক। কিন্তু দৌড় শুরু হতেই সব হিসেবে ঘেঁটে গেল দশ সেকেন্ডে। সবাইকে পিছনে ফেলে মেয়েদের ১০০ মিটারে সোনার পদক ছিনিয়ে নিলেন সেন্ট লুসিয়ার কন্যা জুলিয়েন আলফ্রেড। এই মুহূর্তে তিনিই অলিম্পিক্সের দ্রুততম মহিলা। 

পূর্ব ওয়েস্ট ইন্ডিজের ছোট্ট দেশ সেন্ট লুসিয়া। এই ক্যারিবিয়ান দেশের মুকুটে এই প্রথম অলিম্পিক্স পদকের পালক পরালেন আলফ্রেড। ১০.৭২ সেকেন্ডে শেষ করলেন দৌড়। তাঁর পিছনেই ছিলেন সকলের 'ফেভারিট', মার্কিন স্প্রিন্টার শা’কারি রিচার্ডসন। ১০.৮৭ সেকেন্ড। এর পরে ব্রোঞ্জ জেতেন আর এক মার্কিন স্প্রিন্টার মেলিসা জেফারসন। তাঁর সময়, ১০.৯২ সেকেন্ড।

সোনার পদক গলায় ঝুলিয়ে প্রাথমিক উত্তেজনার মুহূর্ত ফুরোলেই চোখের জলে ভেসে যান বিজয়িনী আলফ্রেড। ১১ বছর আগে হারিয়েছেন বাবাকে। সেই আবেগই উপচে ওঠে জীবনের সেরা জয় অর্জন করার পরে। বাবাকে সোনার পদক উৎসর্গ করে তিনি বলেন, 'বাবা ২০১৩ সালে চলে গেছেন। আমার কেরিয়ারের সবচেয়ে বড় মঞ্চে তিনি আমায় দেখতে পেলেন না। কিন্তু তিনি যেখানেই থাকুন, তাঁর অলিম্পিয়ান মেয়ের জন্য গর্ব বোধ করবেন। আমার বাবা বিশ্বাস করতেন, আমি পারব।’ 

সেন্ট লুসিয়াকে সোনার পদক এনে দেওয়ার স্বপ্ন সেই কবেই দেখেছিলেন আলফ্রেড। দেশের প্রথম অলিম্পিয়ান সোনাজয়ী হতে চেয়েছিলেন তিনি। স্বপ্ন সফল হল। জেদে আর পরিশ্রমে তো তেমনই হয়! আলফ্রেড বলেন, 'আমি প্রায়ই আমার স্বপ্ন থেকে জেগে উঠে লিখে রাখতাম, 'জুলিয়েন আলফ্রেড, অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন। তাই আমি মনে করি, নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখাটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।'

নিজের প্রতি বিশ্বাস যে কত বড় শক্তি, তার জ্বলন্ত উদাহরণ আলফ্রেড। কারণ গতকালের আগে তেমন কেউ চিনতেন না তাঁকে। ছিল না কোনও মাতামাতি। সোশ্যাল মিডিয়া কোনও হ্যাশট্যাগ তৈরি করেনি তার জন্য। রীতিমতো অন্ধকারেই ছিলেন তিনি। আর সেই অন্ধকারেই বোধহয় সবচেয়ে নিবিড় অনুশীলন করে গিয়েছেন একমনে।

তবে খুব কমদিন নয়, সেই ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসে পড়ার সময় থেকেই নিজেকে তৈরি করছিলেন আলফ্রেড। গত বছর গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করার পরপরই তিনি স্পনসর হিসেবে পিউমাকে পাশে পান। গত বছর তিনি বিশ্ব অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপে পঞ্চম হন এবং এ বছর ইনডোর চ্যাম্পিয়নশিপের ৬০ মিটারে জেতেন সোনার পদক। তার পরেই এল অলিম্পিকের সোনা।


```