দ্য ওয়াল ব্যুরো : যেহেতু ক্রিকেটারটির নাম এম এস ধোনি, তাই কেউ বেড়ালের গলায় ঘন্টা বাঁধছিল না। অবশেষে ধোনিরই প্রাক্তন সতীর্থ গৌতম গম্ভীর পরিষ্কার জানিয়েছেন, ‘‘ধোনি সাতে কেন ব্যাটিং করতে নামছে, বলতে পারেন? আমার তো মনে হচ্ছে ও নিজের জন্য খেলছে!’’
আইপিএলের প্রথম ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে একরকম ধোনিকে দেখা গিয়েছিল, সেই ম্যাচেও তিনি সাতে নেমেছিলেন আগে কুরানকে পাঠিয়ে, কিন্তু রাজস্থানের বিপক্ষেও তাই করতে গিয়ে ডুবেছেন। কারণ ধোনি আগে নামলে ম্যাচে জয়ই চলে আসত। তিনি এমন সময়ে নেমেছেন, তখন আর কিছু করার ছিল না। ফাফ ডু প্লেসিকে চালাতেই হতো, ম্যাচে আর সময় ছিল না।
সেই নিয়ে গম্ভীর দুষেছেন চেন্নাই সুপার কিংস দলের অধিনায়ককেই। ভারতের নামী প্রাক্তন ক্রিকেটার এক নামী ওয়েবসাইটকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বলেছেন, ‘‘ধোনির মতো বিগহিটার সাতে কেন নামবে, তার মানে তো দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া হল। সে যখন দলের নেতা, তা হলে কেন পরে নামবে? তার আগে নেমে পরিস্থিতির মোকাবিলা করা উচিত ছিল। এটাকে আর যাই হোক ‘লিডিং ফ্রম দ্য ফ্রন্ট’ বলে না। ভাল নেতাকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া উচিত।’’
শেষ ওভারে ধোনির তিন ছক্কায় কোনও কাজ হয়নি। সেই নিয়ে বলতে গিয়ে গম্ভীর জানিয়েছেন, ‘‘আমার তো মনে হয় ওটা নিজের জন্য খেলেছে, দলের কোনও কাজে আসেনি। দলের কাজে আসত তখনই যদি ধোনি আগে নেমে এমন খেলত।’’
গম্ভীর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে জানিয়েছেন, ‘‘দেখুন আইপিএলেই অন্য কোনও ক্যাপ্টেন যদি এমন করত, সাতে নামত, তা হলে তাকে বিশ্রী আক্রমণ করা হতো। সবাই তার পিছনে পড়ে যেত। যেহেতু এক্ষেত্রে এম এস ধোনি করেছে, তাই কেউ কিছু বলছে না। কিন্তু আমার যা মনে হয়েছে তাই বলেছি।’’
ধোনির পাশাপাশি ট্র্যাজিক নায়ক মনে করা হচ্ছে ফাফ ডু প্লেসির দুরন্ত ইনিংসকে। তিনি ৩৭ বলে ৭২ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন। আরও সময় পেলে ম্যাচই বের করে দিয়ে চলে যেতেন। সেই নিয়ে গম্ভীরের মত, ‘‘ফাফের ওপর চাপ পড়ে গিয়েছে, তাই বলছি ধোনির চারে নামা উচিত। তারপর স্যাম কুরান, ঋতুরাজ গায়কোয়াডদের পাঠানো উচিত। না হলে চেন্নাইয়ের আবারও সেই একই দশা হবে।’’