
শেষ আপডেট: 20 September 2021 18:24
শুধু তাই নয়, উজবেকিস্তানের নাসাফ এফসি-র বিরুদ্ধে ইন্টার জোনাল সেমিফাইনাল ম্যাচ খেলার আগে এই সাংবাদিক বৈঠক তাৎপর্যবাহীও। কারণ উজবেকিস্তানের ওই ক্লাব খেলার আগে নানা প্রোমোতে এটিকে মোহনবাগান নয়, তারা লিখছে শুধুমাত্র মোহনবাগান নামটিই। তারা সম্মান জানালেও ঘরে কেন এই নামী ক্লাবকে অসম্মানিত হতে হবে, সেটাই তারা তুলে ধরেছেন তাঁদের বক্তব্যে।
‘মনা তো আমাকে ধরে ইন্ডিয়া ক্যাপ্টেন হয়েছিল’, ফের অনুজকে তীব্র আক্রমণ সুভাষের
পাশাপাশি এই ফ্যান ক্লাবের শক্তি বৃদ্ধি করেছেন সবুজ মেরুনের কিংবদন্তিরা। কে নেই তালিকায়? বদ্রু বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে সুব্রত ভট্টাচার্য, আবার মানস ভট্টাচার্য থেকে প্রসূণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা এই লড়াইয়ে সামিল হয়েছেন।
ওই নামী প্রাক্তনরা বক্তব্যে তুলে ধরেছেন ক্লাবের নানা গরিমার কথা। সেমিফাইনাল ম্যাচে প্রিয় দলকে সমর্থনের পাশে ক্লাবের ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখাতেও তাঁরা ব্রতী। সবাইয়ের ভিডিও বার্তায় মন্তব্য, ‘‘মোহনবাগান আমাদের কাছে মহান বাগান। এটি আমাদের কাছে মাতৃসম। এই ক্লাবকে ভালবাসতে গেলে ইতিহাস আগে জানতে হবে, তবেই পাশাপাশি থাকা যাবে।’’
এটিকে-র কর্তা উৎসব পারেখের ইতিহাস বিকৃত মন্তব্য নিয়ে যেমন আলোচনা হয়েছে। তেমনি ক্লাব সভাপতি টুটু বসুর বিরুদ্ধে অন্যায় আক্রমণের প্রতিবাদও জানিয়েছেন ফোরামের সদস্যরা। তারা এটাই জানিয়েছেন, টুটু বসুর মোহনবাগানের পিছনে অবদান ভুলে যাওয়া মানে ক্লাবের ইতিহাসকেও ভুলে যাওয়া, তাই সমালোচনা করতে হবে সবকিছু জেনে, গঠনমূলকভাবে।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'