দ্য ওয়াল ব্যুরো : ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে আয়ের দিক থেকে টপকে গেলেন লিওনেল মেসি। শুধু তাই নয়, সম্প্রতি যে ফোর্বস ম্যাগাজিন ক্রীড়াক্ষেত্রে ধনীদের যে তালিকা করেছে, তাতেও শীর্ষে মেসি। আর্জেন্টাইন ফুটবল রাজপুত্র মোট ১০০ কোটি মার্কিন ডলার রোজগার করেছেন। গত জুন মাসে এই ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেছিলেন রোনাল্ডো।
সবমিলিয়ে বিশ্বের ষষ্ঠ ক্রীড়াবিদ হিসেবে বিলিওনিয়ার হলেন মেসি। তার আগে বাস্কেটবলে মাইকেল জর্ডন, গলফে টাইগার উডস, প্রো-বক্সিংয়ে ফ্লয়েড মেওয়েদার, ফর্মুলা রেসিংয়ে মাইকেল শুমাখার এবং ফুটবলে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর জীবনের রোজগার ছাড়িয়েছিল এই ফিগারে।
বিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে চলতি বছরে সর্বোচ্চ আয় করা ফুটবলারও হয়েছেন মেসি। তাঁর ক্লাব বার্সেলোনা থেকে ৯২ মিলিয়ন ডলার ছাড়াও অন্যান্য বিজ্ঞাপনী চুক্তি থেকে চলতি বছরে ৩৪ মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন মেসি। সেই পরিপ্রেক্ষিতে মোট ১ হাজার মিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়ে গিয়েছে।
চলতি বছর মেসির চেয়ে মাত্র ৯ মিলিয়ন ইউরো কম আয় হয়েছে রোনাল্ডোর। ফোর্বসের রিপোর্ট অনুযায়ী, চলতি বছরে ১১৭ মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন জুভেন্টাসের এই ফরোয়ার্ড। এছাড়া এ বছর আর কোনও ফুটবলার ১০০ মিলিয়ন ডলার আয় করতে পারেননি।
এ তালিকার শীর্ষ দশে পরের নামগুলো যথাক্রমে নেইমার (৯৬ মিলিয়ন ডলার), কিলিয়ান এমবাপে (৪২ মিলিয়ন ডলার), মহম্মদ সালাহ (৩৭ মিলিয়ন ডলার), পল পোগবা (৩৪ মিলিয়ন ডলার), অ্যান্তোনিও গ্রিজম্যান (৩৩ মিলিয়ন ডলার), গারেথ বেল (২৯ মিলিয়ন ডলার), রবার্তো লেওয়ানদস্কি (২৬ মিলিয়ন ডলার) এবং ডেভিড ডি গিয়া (২৪ মিলিয়ন ডলার)।
অনেকে এও বলছেন, এবার যদি মেসি বার্সেলোনা ছেড়ে শেষমেশ ম্যাঞ্চেস্টার সিটিতে যেতেন, তা হলে আরও আয় করতে পারতেন। শেষ মুহূর্তে আলোচনার পরে মেসি থেকে গিয়েছেন। তবে তাঁর থেকে যাওয়ার ব্যাপারে ৭০০ মিলিয়ন ডলার দিতে যেতে হতো, সেটিও মেসির পক্ষে লোকসান হয়ে যেত। এতকিছু ভেবেই তিনি আরও একবছর থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পুরনো ক্লাবে।