
শেষ আপডেট: 21 January 2024 18:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইডেনে ঘরের মাঠে বাংলার জয় আর সম্ভব নাও হতে পারে। রবিবার সকাল থেকে আকাশের মুখ ভার, মেঘলা করে ছিল। কুয়াশার দাপটে আলো কম ছিল বিস্তর। সেই কারণেই খেলা হল মাত্র নয় ওভার।
ছত্তিশগড়ের বিরুদ্ধে বাংলা প্রথম ইনিংসে সমাপ্তি ঘোষণা করেছে ৩৮১ রান, আট উইকেটের বিনিময়ে। জবাবে এদিন নয় ওভার ব্যাটিং করে ছত্তিশগড়ের দুই উইকেট পড়ে গিয়েছে। রান উঠেছে মাত্র ২৭, বাংলা এখনও এগিয়ে রয়েছে ৩৫৪ রানে। প্রথম ইনিংসে লিড আসতে গেলে সোমবার শেষদিন খেলা হবে তো? যদিও মনোজ তিওয়ারির দল তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে নিয়েছে।
বাংলার হয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন করণ লাল ও সুরজ সিন্ধু আগরওয়াল। এই ম্যাচে অবশ্য বাংলার দুই ব্যাটার নায়ক, একজন প্রথম বাংলার হয়ে সেঞ্চুরি করলেন, তিনি অভিষেক পোড়েল। ২১৯ বলে ১১৪ রান করেছেন। অন্যজন সিনিয়র তারকা অনুষ্টুপ মজুমদার (৭১)।
ইডেনে সেঞ্চুরি পেয়ে উচ্ছ্বাসে গা ভাসাতে রাজি নন অভিষেক। তিনি গতবার দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে খেলেছিলেন। তাঁকে নেওয়া হয়েছিল দলের উইকেটরক্ষক ব্যাটার হিসেবে। দিল্লি দলে নিয়েছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর পরামর্শ ছিল, উইকেটে টিকে থাকতে হবে। সেটি পালন করেই রঞ্জিতে সেঞ্চুরি পেয়েছেন। পাশাপাশি বাংলার কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লারও ভূষসী প্রশংসা করেছেন চন্দননগরের ক্রিকেটার। তিনি খেলা শেষে জানিয়েছেন, শনিবার সেঞ্চুরির দিন সকালে আমি আগেই মাঠে চলে এসেছিলাম। কোচ আমাকে শিখিয়েছিলেন কী করে শর্ট বল খেলতে হয়। সেটা খেলেই এমন সাফল্য পেয়েছি।
কোচের কাছে বকাও খান অভিষেক। সেঞ্চুরির ইনিংসে তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন। সেটি মিস না হলে এই দিনটা আসত না, সেটি মনে করছেন বাংলার সফল তারকা। রঞ্জি যে অনেকটা টেস্ট ক্রিকেটের মতো, সেটিও এই ইনিংস খেলে শিখলেন অভিষেক, যিনি ঈশান পোড়েলের খুড়তুতো ভাইও।