Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
নববর্ষে রাজ্যপালের মুখে ‘পরিবর্তনের’ ডাক! ‘লাটসাহেব’কে নিয়ে ছেড়ে কথা বললেন না মমতাওস্যালাড খেলেই সুস্বাস্থ্য নয়! ভুলেও কাঁচা খাবেন না এই ৩ সবজি, কারণ জানুনইরানকে কি অস্ত্র দিচ্ছে চিন? শি জিনপিংয়ের চিঠির পর জল্পনা ওড়ালেন ট্রাম্প'দেশু ৭'-এ অনির্বাণ, এবার ‘বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা’য় কোন নায়কের এন্ট্রিতে চমক?এখনই সুরাহা নেই! রান্নার গ্যাসের আকাল চলতে পারে আরও ৪ বছর, দুশ্চিন্তা বাড়বে ভারতের আমজনতার?লোকসভার আসন বেড়ে হচ্ছে ৮৫০, কতটা লাভ বাংলার? সবচেয়ে বেশি ও কম সিট বাড়ছে কোন রাজ্যে?নববর্ষে কলকাতা সফরে আইওসি-র শীর্ষ কর্তা, এলপিজির বাস্তব পরিস্থিতি দেখতে হাজির গ্যাসের দোকানেও৮ হাজার লিটার গঙ্গাজল, গরু আর রুপোর কলসী! ফিরে দেখা জয়পুরের মহারাজার আজব লন্ডন-সফরগুয়ার্দিওলা-পরবর্তী ফুটবলের নমুনা মেলে ধরেছে কোম্পানি আমলের বায়ার্ন! আজ সামনে রিয়ালআশা ভোঁসলের শেষযাত্রায় যাননি শাহরুখ-সলমন! বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে সামনে এল আসল কারণ

ডাইনোসরের সময়কার অরণ্য আবিষ্কার! নীলগ্রহের প্রাচীনতম জঙ্গলের বয়স ৩৮ হাজার ৫০০ বছর

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সেই গাছগুলির মধ্যে বেশ কিছু এমন গাছ রয়েছে, যারা পৃথিবীতে ডাইনোসের জন্ম এবং মৃত্যু রহস্যের সাক্ষী। 

ডাইনোসরের সময়কার অরণ্য আবিষ্কার! নীলগ্রহের প্রাচীনতম জঙ্গলের বয়স ৩৮ হাজার ৫০০ বছর

শেষ আপডেট: 13 January 2024 17:59

দ্য ওয়াল ব্যুরো: "বিপুলা এ পৃথিবীর কতটুকু জানি।
দেশে দেশে কত-না নগর রাজধানী—
মানুষের কত কীর্তি, কত নদী গিরি সিন্ধু মরু,
কত-না অজানা জীব, কত-না অপরিচিত তরু
রয়ে গেল অগোচরে। বিশাল বিশ্বের আয়োজন;
মন মোর জুড়ে থাকে অতি ক্ষুদ্র তারি এক কোণ।"

এক শতক আগেই রবীন্দ্রনাথ বলে গিয়েছিলেন। আজকের পৃথিবীতেও সেকথা যে অক্ষরে অক্ষরে সত্যি, তার প্রমাণ মেলে অহরহ। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এমন একটি অরণ্যের খোঁজ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা, যার বয়স নাকি ৩৮ হাজার ৫০০ বছর! হিসেবে মতো এটিই এই মহাবিশ্বের সবচেয়ে 'বুড়ো' জঙ্গল। 

তবে এই জঙ্গল এখনও জীবন্ত এমন নয়। আমেরিকার নিউইয়র্কের কায়রোর কাছে একটি নির্জন খনি এলাকায় জীবাশ্ম হয়ে যাওয়া এই পাথুরে জঙ্গলের খোঁজ মিলেছে, যেখানে পাথরের মধ্যে পাওয়া জীবাশ্মে প্রোথিত হয়ে রয়েছে অজস্র সুপ্রাচীন গাছের শিকড়। এই অরণ্যের আবিষ্কার পৃথিবীর জন্ম এবং পরিপূর্ণতা প্রাপ্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়কালকে সূচিত করে। 

বিবিসি সূত্রে জানা গেছে, গবেষকদের দলটি ওই জঙ্গলের অস্তিত্বের কথা জানতেন। তবে এই প্রথমবার সেই জঙ্গলের গাছেদের বয়স নির্ধারণ করার জন্য সঠিক তদন্ত করা হয়েছিল। তাতেই সন্ধান মিলেছে নীলগ্রহের জন্মের পর পৃথিবীতে গজিয়ে ওঠা গাছপালাদের খোঁজ। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সেই গাছগুলির মধ্যে বেশ কিছু এমন গাছ রয়েছে, যারা পৃথিবীতে ডাইনোসের জন্ম এবং মৃত্যু রহস্যের সাক্ষী। 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিংহামটন ইউনিভার্সিটি এবং ওয়েলসের কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের অনুমান, একসময় বনটি প্রায় ৪০০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত ছিল, যা প্রায় ২৫০ মাইলের সমান। তবে এই এলাকাটির ম্যাপ আঁকা (কার্টোগ্রাফি) শুরু হয়েছিল মাত্র ৫ বছর আগে। এলাকার মধ্যে বিভিন্ন গাছপালা এবং গাছের জীবাশ্ম পরীক্ষার মাধ্যমে গবেষকরা এটিকে পৃথিবীর প্রাচীনতম পরিচিত বন হিসাবে চিহ্নিত করেছেন। এছাড়া পৃথিবীর উল্লেখযোগ্য প্রাচীন বনের মধ্যে রয়েছে আমাজন রেইনফরেস্ট এবং জাপানের ইয়াকুশিমা বন।

এই জঙ্গলের ধ্বংসের কারণ আশ্চর্য হয়ে যাওয়ার মতোই। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সাধাণত ফলের মধ্যে থাকা বীজ মাটিতে পড়ার মাধ্যমেই জন্ম হয় নতুন উদ্ভিদের। বেশিরভাগ গাছ সেভাবেই বংশবিস্তার করে থাকে। তবে এই প্রাগৈতিহাসিক অরণ্যের বেশিরভাগ গাছই সেভাবে বংশবিস্তার করেনি। ফলে সংখ্যা কমতে কমতে একটা সময় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় আস্ত জঙ্গলটাই। 

জীবাশ্ম থেকে জানা গেছে, এই জঙ্গলে মূলত যে ধরনের গাছ ছিল, তাদের বংশবিস্তারের একমাত্র পদ্ধতি ছিল রেণু উৎপাদন। ফুলের মধ্যে থাকা রেণু বাতাসে ভেসে ছড়িয়ে পড়ত অন্যত্র, তারপর পরাগমিলনের মাধ্যমে জন্ম হত নতুন গাছের। 


```