
উরফি জাভেদ
শেষ আপডেট: 7 May 2025 13:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয় হয়েছিলেন ছোট ছোট জামা পরে ফটোশ্যুট করে। কিন্তু পরে একের পর এক প্রতিভা সামনে এনেছেন। দেখিয়েছেন, শুধুই তেমন ফটোশ্যুট নয়, তিনি ফ্যাশন ডিজাইনিংয়েও পারদর্শী। কার কথা বলা হচ্ছে, এতক্ষণে হয়তো বুঝে গিয়েছেন। তিনি আর কেউ নন, উরফি জাভেদ—এই নামটাই এখন বিনোদুনিয়ায় আলাদা আলোচনার বিষয়।
তাঁর আজব ও চমকপ্রদ ফ্যাশন স্টেটমেন্টের জন্য যতটা চর্চিত, ততটাই আলোচিত তাঁর সাহসী মনোভঙ্গি। তবে সম্প্রতি এক পডকাস্টে দেওয়া সাক্ষাৎকারে উরফি ফ্যাশনের বাইরে তাঁর শৈশব কেমন কেটেছে, তা শোনালেন তিনি।
পাঞ্জাবের রক্ষণশীল পরিবারে বেড়ে ওঠা উরফির শৈশব কেটেছে কঠোর শাসনের মধ্যে। বাবার অনুশাসন এতটাই গাঢ় ছিল যে, ছোটবেলাতেই তাঁকে গলাবন্ধ জামা-কাপড় পরতে বাধ্য করা হত। চুড়িদারের ওড়না সামান্য বুক থেকে সরলেই বাবার অভিযোগ—"ছেলেদের আকর্ষণ করতেই বুঝি এমন!" শুধু মানসিক নয়, শারীরিক নিপীড়নের কথাও অকপটে জানিয়েছেন উরফি। বাবার হাতে প্রায়শই নিগৃহীত হতে হত তাঁকে।
এই অভিজ্ঞতাই তাঁর মনে জেগে ওঠা প্রতিবাদের বীজ বপন করে। উরফির ভাষায়, “আমি তখনই বুঝেছিলাম—নিজেকে ভালবাসা মানে নিজের শরীর, নিজের সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা করা। আমি যা পরি, সেটা আমার স্বাধীনতা। এই শরীর আমার, তাই কীভাবে নিজেকে প্রকাশ করব, তা আমিই ঠিক করব।”
তারপরে যিনি ইন্টারভিউ নিচ্ছিলেন, তিনি মজার ছলে জিজ্ঞাসা করেন, যখন খোলামেলা জানা পরো, তখন ভিতরে কী পরে থাকো? উত্তরে উরফি বলেন, ''আমি কিছুই পরি না। নাথিং বেবি। (বলে হাসেন)।" আজ উরফির পোশাক হয়তো অনেকের চোখে ‘অদ্ভুত’। তবে তিনি যে ধীরে ধীরে তাঁর প্রতিভা প্রকাশ করেছেন, তা সত্যিই অবাক করার মতো।