Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটোহরর নয়, এক ব্যক্তিগত ক্ষতের গল্প—‘দ্য মামি’ নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালক

টাকা না মিটিয়ে মর্গে মেয়ের দেহ ফেলে রেখেছিল ওরা: মৌসুমী চট্টোপাধ্যায় 

মেয়ের মৃত্যু নিয়ে এ যাবৎ চুপ ছিলেন মৌসুমী। তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মুখ খুলেছেন তিনি। 

টাকা না মিটিয়ে মর্গে মেয়ের দেহ ফেলে রেখেছিল ওরা: মৌসুমী চট্টোপাধ্যায় 

কী ঘটেছিল?

শেষ আপডেট: 10 May 2025 21:52

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সালটা ছিল ২০১৯। বড় মেয়ে পায়েলকে হারান অভিনেত্রী মৌসুমী চট্টোপাধ্যায়। শোনা গিয়েছিল, মেয়ে যখন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন তখন নাকি তাঁকে দেখতে একটিবারের জন্যও হাসপাতালে যাননি অভিনেত্রী। পায়েলের শ্বশুরবাড়ির তরফে তোলা হয়েছিল এ হেন অভিযোগ। মেয়ের মৃত্যু নিয়ে এ যাবৎ চুপ ছিলেন মৌসুমী। তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মুখ খুলেছেন তিনি। 

তাঁর পাল্টা অভিযোগ, মর্গে রেখে দেওয়া হয়েছিলেন মেয়ের দেহ। কারণ শ্বশুরবাড়ির লোক হাসপাতালের  বিল মেটায়নি। সেই বেদনাদায়ক ঘটনার কথা বর্ণনা করে মৌসুমী বলেন, "যখন হাসপাতালে পৌঁছই পায়েল তখন নেই। হাসপাতালের মর্গে ফেলে রাখা হয়েছিল পায়েলকে। সেই সব ঝামেলা আমি মিটিয়েছি। যা গিয়েছে তা ফেরানো যাবে আনা। সন্তান হারানোর যন্ত্রণা কখনওই ঠিক হয় না।" 

মৌসুমীর ছোট মেয়ের নাম মেঘা। পায়েল ও মেঘা বয়সের ফারাক প্রায় আট বছরের। বর্ষীয়ান এই অভিনেত্রী জানান, মেঘার কাছে পায়েল ছিলেন দ্বিতীয় মা। দিদি হারানোর শোক দগ্ধ করেছিল তাঁকেও। 

স্বামী জয়ন্ত মুখোপাধ্যায় আজও ভুলতে পারেননি বা বলা ভাল মেনে নিতে পারেননি বড় মেয়ের মৃত্যু। তাঁর কথায়, 'এই শূন্যতা কখনও পূর্ণ হবে না।' 

পায়েলের স্বামীর নাম ডিকি সিনহা। শুরু থেকেই ব্যবসা সংক্রান্ত কারণে তাঁর সঙ্গে মৌসুমীর পরিবারের সম্পর্ক ভাল ছিল না, শোনা যায় এমনটাই। ২০১৮ সালে অভিনেত্রী আদালতে পায়েলের আইনত গার্জিয়ান হওয়ার আবেদন জানান আদালতে। ছোট থেকেই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিলেন পায়েল। মৃত্যুর আগে দুই বছর কোমায় ছিলেন তিনি। মৌসুমীর অভিযোগ, শ্বশুরবাড়ির তরফে ঠিক মতো খেয়াল রাখা হয়নি তাঁর। ঠিকঠাক চিকিৎসাও হয়নি। পায়েলের মৃত্যুর পর দুই পরিবারের মধ্যে প্রচুর জলঘোলা হয়। সন্তান হারানোর যন্ত্রণা আজও প্রতি মুহূর্তে দগ্ধ করে 'বালিকা বধূ'কে। 


```