Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটোহরর নয়, এক ব্যক্তিগত ক্ষতের গল্প—‘দ্য মামি’ নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালক

লরেন্স বিষ্ণোই ও বাবা সিদ্দিকি হত্যাকাণ্ড নিয়ে থ্রিলার ছবি করবেন রামগোপাল ভার্মা?

সোমবার এর মধ্য দিয়েই সম্ভবত পরবর্তী ছবির সংকেত দিয়ে দিলেন রামগোপাল।

লরেন্স বিষ্ণোই ও বাবা সিদ্দিকি হত্যাকাণ্ড নিয়ে থ্রিলার ছবি করবেন রামগোপাল ভার্মা?

দুর্গাপুজোর ভাসানের সময় আলো-বাজি ও ভিড়ের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সিদ্দিকিকে খুন করে আততায়ীরা।

শেষ আপডেট: 14 October 2024 18:42

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মন্ত্রী এনসিপি নেতা বাবা সিদ্দিকিকে যে ছকে খুন করা হয়েছে, তা নিয়ে বলিউড-কাঁপানো ছবি হতে পারে। মুম্বইয়ের কোনও চিত্রনাট্যকার যদি এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে থ্রিলার লিখে ফেলেন তাহলে টানটান উত্তেজনার একটি ছবি তৈরি হতে পারে। মুম্বইয়ের প্রখ্যাত থ্রিলার নির্মাতা রামগোপাল ভার্মার অন্তত তাই মত। সোমবার এর মধ্য দিয়েই সম্ভবত পরবর্তী ছবির সংকেত দিয়ে দিলেন রামগোপাল।

দুর্গাপুজোর ভাসানের সময় আলো-বাজি ও ভিড়ের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সিদ্দিকিকে খুন করে আততায়ীরা। এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য মাথা গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই বলে সন্দেহ পুলিশের। প্রায় একইভাবে নয়ের দশকের শেষদিকে রামগোপালের সুপারডুপার হিট ছবি 'সত্যা'র শেষ দৃশ্যে গণেশ পুজোর ভাসানের ভিড়ে সমুদ্রের ধারে খুন হয়েছিলেন এক নেতা। তাহলে কি পরিচালকের মনে ফের একবার পুরনো পোকা নড়ে উঠেছে, এটাও ধারণা করা হচ্ছে তাঁর ওই প্রস্তাবে।

সোমবার এক এক্সবার্তায় ভার্মা লিখেছেন, লরেন্স বিষ্ণোই এক আইনজীবী থেকে গ্যাংস্টার হওয়া ব্যক্তি। যার লক্ষ্য হল এক সুপারস্টারকে খুন করা যিনি একটি হরিণ মেরেছিলেন। লরেন্স তার গ্যাং অফ ৭০০-র শাগরেদদের বলে রেখেছেন, যে খুশি তাঁকে হত্যা করতে পারে। লরেন্সের ফেসবুক চলে তার নির্দেশে বিদেশের মাটি থেকে। লরেন্সই তারকা অভিনেতার ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে কোতলের নির্দেশ দিয়েছিল।

রামগোপাল আরও লিখেছেন, পুলিশ তাকে ধরতে পারে না, কারণ সে সরকারি আতিথ্যে গুজরাতের সাবরমতী জেলে বন্দি আছে। আর তার মুখপাত্র বিদেশ থেকে ওর হয়ে কথা বলে চলেছে। যদি কোনও বলিউড লেখক এরকম কাহিনি নিয়ে গল্প লিখে ফেলেন তাহলে এটাই হবে সর্বকালের সেরা অবিশ্বাস্য অসাধারণ চিত্রনাট্য।

রামগোপাল আরও লিখেছেন, ১৯৯৮ সালে যখন হরিণ মারা হয়েছিল, লরেন্স বিষ্ণোই তখন ৫ বছরের বাচ্চা ছিল। কিন্তু, গত ২৫ বছর ধরে বিষ্ণোই তার মনের মধ্যে সেই প্রতিহিংসা পুষে রেখেছে। এখন তার বয়স ৩০। লরেন্স বলে থাকে, সলমনকে খতম করা তার জীবনের লক্ষ্য। সে হরিণ মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে চায়। তার এই পশুপ্রেম সবথেকে বেশি নাকি এটা ভগবানের অদ্ভুত উপহাস, লিখেছেন রামগোপাল ভার্মা।

মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মন্ত্রী বাবা সিদ্দিকিকে ওয়াই ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়া হলেও কী করে তাঁকে গুলি করে খুন হতে হয় তা নিয়ে রাজনৈতিক তরজাও চলছে ভোটের রাজ্যে। তদন্তে জানা গিয়েছে, দুর্বৃত্তরা মাসের পর মাস ধরে সিদ্দিকির চালচলনের উপর নজর রেখেছিল। খুনের কয়েক মাস আগে থেকেই অভিযুক্ত ধর্মরাজ কাশ্যপ, শিবকুমার গৌতং এবং গুরনেল সিং সিদ্দিকির প্রতিটি গতিবিধির উপর নজর রাখত।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই ত্রয়ী বেশ কয়েকবার সিদ্দিকির অফিস ও বাড়িতে রেইকি করেছে। পুলিশের অনুমান, অন্তত দেড় থেকে দুমাস তারা সিদ্দিকির উপর নজর রাখছিল। গ্যাংস্টার বিষ্ণোই এই তিনজনকে আগাম ৫০ হাজার টাকা সুপারি দেয় এবং কাজ হাসিল হওয়ার পর ২ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল।

পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্তরা সেপ্টেম্বরের গোড়ায় মুম্বই এসে পৌঁছায়। কুরলায় ১৪ হাজার টাকা ভাড়ায় একটি ফ্ল্যাটের বন্দোবস্ত করে দেওয়া হয় তাদের জন্য। সেখানেই উত্তরপ্রদেশের বহরাইচের বাসিন্দা কাশ্যপ, সিং এবং গৌতমকে সিদ্দিকির বিভিন্ন ছবি দেওয়া হয় চেনানোর জন্য।  খুনের ছক কষা হয়েছিল সেপ্টেম্বরের আগেই। ছকের মতোই গৌতম সিদ্দিকিকে ৬টি গুলি করে এবং তিনবার আঘাত করে।

পরিকল্পনা মতো দুর্গা পুজোর ভাসান শোভাযাত্রার সময় গুলি করে তারা ভিড়ের মধ্যে মিলিয়ে যায়। সেই সময় সিদ্দিকির নিরাপত্তা রক্ষীদের বাগে আনতে সঙ্গে করে নিয়ে আসা গোলমরিচের গুঁড়োর স্প্রে তারা চালাতে গিয়েও পারেনি। তারা একটি পার্কে ঢুকে পড়লে পুলিশ তা ঘিরে ফেলে। কিন্তু, গৌতম ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়। দুষ্কৃতীরা শোভাযাত্রায় ফাটানো বাজির শব্দকে কাজে লাগিয়েছিল।


```