
শেষ আপডেট: 19 March 2024 12:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নীতীশ কুমারকে ফের এনডিএ-তে নিতে ঘোর আপত্তি তুলেছিলেন পশুপতিনাথ পারস। তিনি নরেন্দ্র মোদী মন্ত্রিসভার সদস্য এবং বিহারের প্রয়াত হরিজন নেতা রামবিলাস পাসোয়ানের ভাই। মঙ্গলবার সকালে মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিয়েছেন রাষ্ট্রীয় লোকজনশক্তি পার্টির প্রধান প্রবীণ নেতা পশুপতি। সেই সঙ্গে এনডিএ জোট ছাড়ার কথাও ঘোষণা করেছেন রামবিলাসের ভাই। জানা যাচ্ছে, আরজেডি নেতা তেজস্বী চাইছেন পশুপতিকে মহাজোটের শরিক করতে। চিরাগের হরিজন ভোটে থাবা বসাতে পশুপতিকে ঘুঁটি করতে চান আরজেডি নেতা।
বিরোধের কারণ, আসন সমঝোতায় তাঁর ভাইপো অর্থাৎ রামবিলাসের পুত্র চিরাগকে বাড়তি সুবিধা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে যে পাঁচ আসন চিরাগের লোকজনশক্তি পার্টিকে দেওয়া হয়েছে তাতে হাজিপুর কেন্দ্রটি আছে। ১৯৯০-এ ওই আসন থেকে সাড়ে চার লাখ ভোটের ব্যবধানে জিতে রেকর্ড করেছিলেন রামবিলাস। পশুপতির দাবি ছিল দাদার আসনটি তাঁর দলকে দিতে হবে। সেই দাবি পূরণ না হওয়াতেই এনডিএ ত্যাগের সিদ্ধান্ত। তিন বছর আগে রামবিলাস মারা যাওয়ার পরই কাকা ও ভাইপোর মধ্যে দলের দখল নিয়ে বিরোধ বাঁধে। শেষে দু’জনে আলাদা হয়ে যান। তারপর পশুপতিকেই বিজেপি খাতির করে। মোদীর মন্ত্রিসভায় স্থান হয় রামবিলাসের ভাইয়ের। অন্যদিকে, বারে বারে আর্জি জানিয়েও মন্ত্রিসভায় স্থান হয়নি চিরাগের।
আশ্চর্যের হল, সোমবার বিহারের বিজেপি—জেডিইউ-হিন্দুস্থানী আওয়াম মোর্চা-রাষ্ট্রীয় জনতান্ত্রিক মোর্চার নেতারা রাজ্যের ৪০ লোকসভা আসন নিয়ে যে ভাগাভাগির হিসাব পেশ করেন তাতে পশুপতির দলের জন্য একটি আসন বরাদ্দ ছিল। ঠিক হয়েছে বিজেপি ১৭ এবং জেডিইউ ১৬ আসনে লড়াই করবে। অন্যদিকে, চিরাগের দল প্রার্থী দেবে পাঁচ আসনে। বাকিদের একটি করে আসন দেওয়া হয়।
সোমবার আসন ঘোষণার পর সাংবাদিক সম্মলনে প্রশ্নের জবাবে বিহারের বিজেপি সভাপতি তথা উপমুখ্যন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী জানান, পশুপতিনাথ পারসের সঙ্গে আলোচনা চলছে। মঙ্গলবার সকালে জানা যায়, সোমবার গভীর রাতেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগ পত্র মেল করে পাঠিয়ে দিয়েছেন।