.jpeg)
আদানি গ্রুপের সমস্ত কোম্পানি মিলিয়ে প্রায় ২০ শতাংশ পড়ল শেয়ার দর। গ্রাফিক্স - শুভ্র শর্ভিন
শেষ আপডেট: 21 November 2024 11:52
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতীয় ধনকুবের গৌতম আদানির (Adani News) বিরুদ্ধে আমেরিকায় ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পরেই আদানি গ্রুপের (Gautam Adani Group) সমস্ত কোম্পানি মিলিয়ে প্রায় ২০ শতাংশ পড়ল শেয়ার দর। বৃহস্পতিবার সকালে শেয়ার বাজার খোলার আগেই ঘুষ দানের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতে হু-হু করে পড়তে থাকে আদানি গ্রুপের শেয়ারের (Adani Share Price) দাম।
আদানি এন্টারপ্রাইজেসের (Adani Enterprises Share Price) শেয়ার একধাপে ২০ শতাংশ কমেছে। আদানি এনার্জি সলিউশনেরও শেয়ার দর বেশ খানিকটা কমে যায়। আদানি গ্রিন এনার্জির (Adani Green Share Price) বাজার পড়ে ১৯.১৭ শতাংশ, আদানি টোটাল গ্যাসের ১৮.১৪ শতাংশ, আদানি পাওয়ারের (Adani Power Share Price) শেয়ার নামে ১৭.৭৯ শতাংশ হারে। ভারত স্টক এক্সচেঞ্জে আদানি পোর্টসের শেয়ারেরও ১৫ শতাংশ দাম কমে যায়। এছাড়াও অম্বুজা সিমেন্ট ১৪.৯৯, এসিসি সিমেন্ট ১৪.৫৪ শতাংশ, এনডিটিভির শেয়ার পড়ে ১৪.৩৭ শতাংশ এবং আদানি উইলমারের মূল্য পড়ে ১০ শতাংশ।
বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী দ্বিতীয় মোদী সরকারের আমল থেকেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গৌতম আদানির সম্পর্ক ও হিন্ডেনবার্গ রিপোর্ট নিয়ে তুলোধনা করে আসছিলেন। এদিন আমেরিকায় আদানির বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর তেড়েফুঁড়ে আসরে নামল কংগ্রেস। দলের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ সকালে বলেন, এই ঘটনাই প্রমাণ করে, কংগ্রেস বিভিন্ন আর্থিক কেলেঙ্কারি নিয়ে যৌথ সংসদীয় কমিটির তদন্তের যে দাবি জানিয়ে এসেছে তা যথার্থ।
একটি এক্সবার্তায় জয়রাম আরও লিখেছেন, গৌতম আদানির বিরুদ্ধে আমেরিকায় যে অভিযোগ উঠেছে তা ২০২৩ সালে জানুয়ারি থেকে কংগ্রেসের তোলা অভিযোগের যাথার্থ্যকেই প্রমাণ করে। আমরা গোড়া থেকেই দাবি জানিয়ে আসছি যে, আদানি-মোদীর সম্পর্ক এবং আদানি গ্রুপ নিয়ে হিন্ডেনবার্গ রিপোর্টের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক যৌথ সংসদীয় কমিটির মাধ্যমে। কংগ্রেস হাম আদানি কে হ্যায় সিরিজে শয়ে শয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং তাঁর প্রিয় ব্যবসায়ীর রহস্যজনক সম্পর্ক এবং বিভিন্ন আর্থিক কেলেঙ্কারির কথা তুলে ধরা হয়েছিল। সে সমস্ত প্রশ্নের কোনও জবাব মেলেনি।
প্রসঙ্গত, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই বসতে চলেছে লোকসভার শীতকালীন অধিবেশন। দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলের সঙ্গে আদানির বিরুদ্ধে ঘুষ দানের অভিযোগের মতো হাতে গরম ইস্যু পেয়ে গেল বিরোধী ইন্ডিয়া জোট। ফলে নরেন্দ্র মোদী নেতৃত্বাধীন বিজেপি জোটকে চারদিক থেকে চেপে ধরবে ইন্ডিয়ার শরিক দলগুলি একথা বলাই বাহুল্য। বিশেষত, কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ইতিমধ্যেই আক্রমণের অস্ত্রে শান দিতে শুরু করেছেন। ছেড়ে কথা বলবে না অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি, অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসও।