
শেষ আপডেট: 29 March 2024 19:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বেঙ্গালুরু ক্যাফে বিস্ফোরণে দুই সন্দেহভাজনের খোঁজ দিলেই এবার পুরস্কার দেওয়া হবে। দুই অভিযুক্তের বিষয়ে যিনি তথ্য দিতে পারবেন তাঁকে ২০ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা করল ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি।
যে দুই সন্দেহভাজনের খোঁজ চলছে তাঁদের মধ্যে একজন হলেন মুসাভির হুসেন শাজিব। রামেশ্বরম ক্যাফেতে এই মুসাফিরই বিস্ফোরক রেখে গিয়েছিলেন। ঘটনাটিতে ষড়যন্ত্রের মূলচক্রী আরেকজন সন্দেহভাজন হলেন আব্দুল মাথিন আহমেদ তাহা। ২০২০ সালের সন্ত্রাসবাদের ঘটনায় তাঁরা দু'জন ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত। আর এই দুই ‘ওয়ান্টেট’-এর খোঁজ দিতে পারলেই ২০ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সি। এনআইএ-এর তরফে দেওয়া ইমেল এবং ফোনে এবিষয়ে জানানো যাবে।
এনআইএ জানিয়েছে, পরিচয় লুকানোর জন্য মহম্মদ জুনেদ সায়েদ বর্তমানে নিজের নাম রেখেছে শোয়েব। একইভাবে তাহা হিন্দু পরিচয়পত্র ব্যবহার করছে এবং আধার কার্ডে ভিগনেশ নাম পরিবর্তন করেছে। তবে যিনি দুই সন্দেহভাজনের খোঁজ দিতে পারবেন তাঁর পরিচয় গোপন রাখা হবে বলেও জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।
অন্যদিকে, বেঙ্গালুরু ক্যাফে বিস্ফোরণের ২৭ দিন পর মূল অভিযুক্তকে বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করেছে এনআইএ। ১৮ টি জায়গায় চিরুণী তল্লাশির পর মুজাম্মিল শরিফ নামে ওই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রামেশ্বরম ক্যাফে বিস্ফোরণের ঘটনায় মুজাম্মিল ছাড়া আরও দুই অভিযুক্তকে চিহ্নিত করেছে এনআইএ। তাঁরা হলেন মুসাভির শাজ়িব হুসেন এবং আব্দুল মাঠিন তাহা। ওই দু’জনও ঘটনার সঙ্গে সক্রিয় ভাবে যুক্ত ছিলেন বলে দাবি এনআইএ-র। আর তাঁদের সন্ধানেই তৎপর হয়ে উঠেছে তদন্তকারী সংস্থা।
গত ১ মার্চ বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফেতে বিস্ফোরণ হয়। অভিযোগ, ক্যাফেতে ঢুকে বিস্ফোরক বোঝাই ব্যাগ রেখে আসেন এক ব্যক্তি। তাতে টাইমার সেট করা ছিল। এক ঘণ্টা পর হয় বিস্ফোরণে ১০ জন আহত হন। পুলিশ জানিয়েছে, বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য আইইডি ব্যবহার করা হয়েছিল। ৩ মার্চ ঘটনাটির তদন্তভার হাতে নেয় এনআইএ।