Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটোহরর নয়, এক ব্যক্তিগত ক্ষতের গল্প—‘দ্য মামি’ নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালক

শিশুর কান্নায় ফোনে কথা বলতে পারছিলেন না, বিরক্ত হয়ে সন্তানকে গলা টিপে মারলেন মা

ঘরের ভিতরে ফোনে ব্যস্ত থাকার সময়ে ছেলের কান্নায় বিরক্ত হয়ে যান মা। এরপরই সন্তানকে গলা টিপে তার শ্বাসরোধ করে খুন করেন বলে অভিযোগ।

শিশুর কান্নায় ফোনে কথা বলতে পারছিলেন না, বিরক্ত হয়ে সন্তানকে গলা টিপে মারলেন মা

শেষ আপডেট: 30 December 2023 18:51

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কুপুত্র যদ্যপি হয়, কুমাতা কদাপি নয়। বাংলার এই প্রবাদ কি আর সত্যি আধুনিক যুগে প্রযোজ্য! জোর কন্ঠে উত্তর হয়েতো 'হ্যাঁ' হতো যদিও না মায়ের সন্তানকে গলা টিপে খুন করার মতো ঘটনা শিরোনামে আসতো। ঝাড়খণ্ডের এক গৃহবধূর বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে। 

ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়খণ্ডের গিরিডিতে। সেখানেই আফসানা খাতুন নামে এক মহিলা তাঁর সন্তানকে গলা টিপে মেরে ফেলেন বলে অভিযোগ। অভিযুক্তর শ্বশুর জানিয়েছেন, ঘটনার দিন স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া হয়েছিল ওই গৃহবধূর। নিজেকে একটি ঘরে বেশ অনেকক্ষণ বন্ধ করে রেখেছিলেন তিনি। সেসময়ে ঘরের ভিতরে ফোনে ব্যস্ত থাকার সময়ে ছেলের কান্নায় বিরক্ত হয়ে যান মা। এরপরই সন্তানকে গলা টিপে তার শ্বাসরোধ করে খুন করেন। 

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ৬ বছর আগে দম্পতির বিয়ে হয়েছিল। তাঁদের দুই বছরের ছেলে ছিল। ফোনে কথা বলার সময়ে এদিন এক নাগাড়ে শিশুটি কাঁদছিল। বিরক্ত হয়ে সন্তানকে গলা টিপে ধরেন তিনি। যদিও এরপর এই নিয়ে আর কাউকে কিছুই বলেননি তিনি। 

ঘটনার পরেও অনেকক্ষণ দরজা বন্ধ করেই রেখেছিলেন মহিলা। রাতে শোয়ার সময় তাঁর স্বামী ঘরে ঢুকে ছোট্ট ছেলেটিকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

আফসানাকে পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। যদিও মহিলার দাবি, তিনি খুন করতে চাননি। বিরক্ত হয়ে বিছানা থেকে ধাক্কা দিয়ে সন্তানকে ফেলে দিয়েছিলেন। তাতেই খুদের মৃত্যু হয়। পুলিশ শিশুটির দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। পুরো বিষয়টির তদন্তে নেমেছে পুলিশ। 


```