Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডোর এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটোহরর নয়, এক ব্যক্তিগত ক্ষতের গল্প—‘দ্য মামি’ নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালক

পথ দুর্ঘটনায় ছেলেকে হারিয়েছেন, অঙ্গদান করে ছ'জনকে প্রাণে বাঁচালেন ভারতীয় সেনা জওয়ান

ভয়াবহ এক পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হন ১৮ বছর বয়সি অর্শদীপ।

পথ দুর্ঘটনায় ছেলেকে হারিয়েছেন, অঙ্গদান করে ছ'জনকে প্রাণে বাঁচালেন ভারতীয় সেনা জওয়ান

ছেলে অর্শদীপ ও বাবা নরেশ কুমারের ছবি

শেষ আপডেট: 19 February 2025 13:19

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পথ দুর্ঘটনায় হারিয়েছিলেন ছেলেকে। কিন্তু মৃত ছেলের অঙ্গ দান করেই ছয় পরিবারের ঘরে আলো জ্বালালেন ভারতীয় সেনা জওয়ান নরেশ কুমার। 

জানা গিয়েছে, গত ৮ই ফেব্রুয়ারি অর্শদীপ সিং মারা যাওয়ার ঠিক এক সপ্তাহ পর অর্থাৎ ১৬ ফেব্রুয়ারি ছেলের লিভার, কিডনি, অগ্ন্যাশয় এবং কর্নিয়া দান করলেন বাবা। যদিও সন্তানকে হারিয়ে তাঁর অঙ্গদান করেই ৬ জনের জীবন তিনি বাঁচিয়েছেন বলে খবর।

সূত্রের খবর, ভয়াবহ এক পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হন ১৮ বছর বয়সি অর্শদীপ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও লাভ কিছুই হয়নি। অনেক চেষ্টা করেও চিকিৎসকরা তাঁকে বাঁচাতে পারেন নি। কিন্তু ছেলে হারানোর যন্ত্রণা দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করলেও সিদ্ধান্ত নেন মৃত ছেলের অঙ্গদান করে অন্যদের মুখে হাসি ফোটাবেন ভারতীয় সেনার মাহার রেজিমেন্টে কর্মরত হাবিলদার নরেশ। 

যেমন ভাবনা, তেমন কাজ। তড়িঘড়ি চণ্ডীমন্দিরের কম্যান্ড হাসপাতালে চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন নরেশ। জানান তাঁর সিদ্ধান্তের কথা। যদিও প্রথমে জওয়ানের কথা শুনে কিছুটা ঘাবড়ে যান চিকিৎসকরা। যদিও পরে নরেশের ইচ্ছামতো অঙ্গ প্রতিস্থাপনের কাজ শুরু করেন তাঁরা। এরপরই গত ১৬ ফেব্রুয়ারি, রবিবার অর্শদীপের কিডনি ও লিভার দিল্লির আর্মি হসপিটাল রিসার্চ অ্যান্ড রেফারেলে নিয়ে আসা হয়। পাশাপাশি আরেকটি কিডনি ও অগ্নাশয় দান করা হয় চণ্ডীগড়ের পিজি হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি দুই রোগীকে। 

শেষ পাওয়া খবর, বর্তমানে অর্শদীপের চোখের দু'টি কর্নিয়া সংরক্ষণ করা হয়েছে। দৃষ্টিহীন দুই রোগীকে তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এমন মহান প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়েছে ভারতীয় সেনা। নরেশ কুমারের আত্মত্যাগ অনেক মানুষকে অনুপ্রেরণা জোগাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।


```