দ্য ওয়াল ব্যুরো : বুধবার ভারতে করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৬ লক্ষ ৩২ জন। মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু ও দিল্লি থেকে বড় সংখ্যক সংক্রমণের খবর এসেছে এদিনও। যে দেশগুলিতে করোনা রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি তাদের মধ্যে ভারত রয়েছে চার নম্বরে। ভারতের আগে আছে রাশিয়া। সেখানে সংক্রমণের সংখ্যা ভারতের থেকে মাত্র ৫০ হাজার বেশি। সংক্রমণের সংখ্যার বিচারে দ্বিতীয় স্থানে আছে ব্রাজিল। সেখানে কোভিড ১৯ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ লক্ষ। সবার আগে আছে আমেরিকা। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ২৬ লক্ষ।
এদিন সকালে জানা যায়, তার আগের ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ হাজার ৫২২ জন। তখন দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫ লক্ষ ৬৬ হাজার ৮৪০। সন্ধ্যায় জানা যায়, মহারাষ্ট্রে নতুন করে ৫৫৩৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তামিলনাড়ুতে ৩৮৮২ জন এবং দিল্লিতে ২৪৪২ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর পরেই দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়।
ভারতে যত মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তার ৯০ শতাংশ ১০ টি রাজ্যের বাসিন্দা। রাজ্যগুলি হল মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, দিল্লি, গুজরাত, উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, তেলঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ, হরিয়ানা ও কর্নাটক। দিল্লিতে অবশ্য সংক্রমণের হার আগের তুলনায় কমেছে। এদিন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল দাবি করেন, বিশেষজ্ঞরা রাজধানীতে যে হারে ওই রোগ ছড়াবে বলে আশঙ্কা করেছিলেন, তার চেয়ে অনেক কম সংক্রমণ হয়েছে।
লকডাউনে কিছু কিছু ছাড় দেওয়ার পরেই দ্রুত বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গত সোমবার সরকার ঘোষণা করেছে 'আনলক টু'। তাতে বলা হয়েছে, কেবল কনটেনমেন্ট জোনে কড়াকড়ি এখনও চলবে। সারা দেশে কোথাও স্কুল-কলেজ খোলেনি। মেট্রো পরিষেবা এবং আন্তর্জাতিক উড়ানও চালু হয়নি। যে কোনও বড় জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ভারতে তৈরি প্রতিষেধক কোভ্যাক্সিন-কে মানুষের ওপরে পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়া। চলতি মাসেই পরীক্ষা শুরু হবে। মঙ্গলবার এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, ভ্যাকসিন তৈরি হলে প্রথমে তা দেওয়া হবে ডাক্তার, নার্স, অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী এবং সমাজের দুর্বলতর শ্রেণির মানুষকে।