Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
প্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরা

রাষ্ট্রসংঘের স্বীকৃতি বাংলার ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্পকে, আন্তর্জাতিক খ্যাতি পেল বাংলার তিন সুগন্ধি চালও

রাষ্ট্রসংঘের FAO স্বীকৃতি পেল রাজ্যের ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্প এবং বাংলার তিন সুগন্ধি চাল। প্রাকৃতিক সম্পদ ও খাদ্য সংস্কৃতি রক্ষায় এই আন্তর্জাতিক সম্মানে গর্বিত সকলে।

রাষ্ট্রসংঘের স্বীকৃতি বাংলার ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্পকে, আন্তর্জাতিক খ্যাতি পেল বাংলার তিন সুগন্ধি চালও

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

গার্গী দাস

শেষ আপডেট: 18 February 2026 16:53

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাষ্ট্রসংঘের খাদ্য ও কৃষি বিভাগ (Food and Agriculture Organization) আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিল রাজ্যের কৃষি উদ্যোগ ‘মাটির সৃষ্টি’ (Matir Srishti Project)-কে। পশ্চিমাঞ্চলের রুক্ষ জমিকে উর্বর, বহুফসলি ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তোলার এই প্রকল্প পেয়েছে আন্তর্জাতিক সম্মানের শংসাপত্র। এদিন গর্বের সঙ্গে বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ায় জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সেখান থেকেই জানা যায়, এই প্রকল্পকে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি বাংলার তিন বিখ্যাত সুগন্ধি চাল গোবিন্দভোগ (Gobindobhog), তুলাইপাঞ্জি (Tulaipanji) এবং কনকচুর (Kanakchur) পেয়েছে ‘ফুড অ্যান্ড কালচার হেরিটেজে’র স্বীকৃতি।

রাজ্য সরকার জানিয়েছে, ২০২০ সালে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে শুরু হওয়া ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন হওয়াতেই মিলেছে এই আন্তর্জাতিক খ্যাতি। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ছিল, শুকনো, অনুর্বর ও একফসলি জমিকে একাধিক ফসলের উপযোগী করে তোলা। সেই উদ্দেশ্যে বিভিন্ন জায়গায় পুকুর খনন, নতুন সেচব্যবস্থা তৈরি এবং জমির ধরণ অনুযায়ী বহুমুখী কৃষিকাজ গড়ে তোলা হয়। এখন সেইসব জমিতে শাকসবজি, ফলের চাষ থেকে শুরু করে বছরভর বহুফসলের উৎপাদনও হচ্ছে।

সরকারের দাবি, নতুন সেচের জোগান নিশ্চিত হওয়ায় শুধু জমির উর্বরতাই বাড়েনি, লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থানও হয়েছে। বহু গ্রামাঞ্চলে পরিবারের আয় বহুগুণে বেড়েছে। রাজ্যের মতে, জমি–সেচ–পঞ্চায়েত—এই তিন স্তম্ভকে একসূত্রে জুড়ে নেওয়ায় প্রকল্পটি হয়ে উঠেছে আদতে ‘জনমুখী উদ্যোগ’।

এই স্বীকৃতি প্রসঙ্গে রাজ্য আপ্লুত। FAO-র ডিরেক্টর জেনারেলের পাঠানো এই সার্টিফিকেটগুলি বাংলার কৃষিকাজে আন্তর্জাতিক স্তরে প্রশংসার প্রতীক বলে মনে করছে তারা। যা বাংলার প্রাকৃতিক ঐতিহ্য, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং খাদ্য সংস্কৃতি সংরক্ষণের প্রতি রাজ্যের ধারাবাহিক কাজকে আরও উন্নত করবে। বিশেষ করে গোবিন্দভোগ, তুলাইপাঞ্জি আর কনকচুরকে বিশ্বমানের খাদ্য ও সংস্কৃতি ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দেওয়াকে বড় গর্বের বিষয় বলে মনে করা হচ্ছে।

এই সবকিছুর সঙ্গে বাংলার মানুষের আবেগ, পরিশ্রম ও টান জড়িয়ে আছে। এমন সম্মান তাদেরও আরও এগিয়ে চলার শক্তি দেবে, জোগাবে সাহস।


```