
তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ
শেষ আপডেট: 24 March 2024 15:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোটের আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল ক্যানিং। তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে গুরুতর জখম হয়েছেন দু পক্ষের প্রায় সাতজন। যাদের মধ্যে তৃণমূলের তিনজন এবং চার বিজেপি কর্মী বলে দুই দলের তরফে দাবি করা হয়েছে। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ক্যানিং পূর্ব বিধানসভার অন্তর্গত জীবনতলা থানার মটরদিঘী গ্রাম পঞ্চায়েতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে তৃণমূল-বিজেপি একে অপরের সঙ্গে গন্ডগোলে জড়িয়ে পড়ে। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি এবং দলের আরও এক কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পাল্টা শাসক দলের তরফেও বিজেপির বিরুদ্ধে তাঁদের কর্মী-সমর্থককে মারধরের অভিযোগ এসেছে।
ঘটনাটিতে আহত বিজেপির দুই কর্মীকে ক্যানিং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যাদের মধ্যে সুব্রত দাস নামে এক মণ্ডল সভাপতির অবস্থা আশঙ্কাজনক। অন্যদিকে, তৃণমূলের দু'জন আহতকে চিকিৎসার জন্য চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে।
ঘটনার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় যায় ক্যানিং মহকুমা পুলিশ আধিকারিক রামকুমার মণ্ডলের নেতৃত্বে এলাকায় যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশের হস্তক্ষেপেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ঠিক কী কারণে গন্ডগোল হয়েছিল, সেবিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে ক্যানিং থানার পুলিশ।
বিজেপির জয়নগর সাংগঠনিক জেলা সাধারণ সম্পাদক বিকাশ সর্দারের অভিযোগ, "সরকারি অনুমতি নিয়ে ওই এলাকায় বিজেপি একটি কর্মী সভার করার পরিকল্পনা করেছিল। আর সেখানেই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা গিয়ে আক্রমণ চালিয়েছে। প্রশাসনকে বারবার জানিয়েও তারা কোনভাবেই আহত দলীয় কর্মীদের উদ্ধারে এগিয়ে আসেনি।"
অন্যদিকে, তৃণমূলের ক্যানিং পূর্ব কেন্দ্রের বিধায়ক শওকত মোল্লা বলেন, "আমাদের দলীয় কর্মীরা মোটর সাইকেলে করে যখন বাড়িতে ফিরছিলেন তখনই বিজেপির লোকজন তাঁদেরকে কুৎসিত ভাষায় আক্রমণ করে। সেই থেকে গন্ডগোলের সূত্রপাত। ঘটনায় আমাদের কয়েকজন কর্মীও আহত হয়েছে।"