
নিজস্ব ছবি
শেষ আপডেট: 14 April 2025 12:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ওয়াকফ আইনের (Waqf Bill) প্রতিবাদে আইএসএফ-এর কর্মসূচি ঘিরে উত্তাল পরিস্থিতি ভাঙড়ে (Bhangor)। বাসন্তী হাইওয়েতে আন্দোলনকারীদের বাধা পুলিশের। তার জেরে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করে বিক্ষোভকারীরা। এরপরই পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটি এবং ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জও করে পুলিশ। তাতে কয়েকজন বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
মালদহ, মুর্শিদাবাদের পর কেন্দ্রের ওয়াকফ আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু হয়েছে ভাঙড়ে। আইএসএফ-র উদ্যোগে রামলীলা ময়দান অভিযান শুরু করেছিল প্রতিবাদীরা। মিনাখাঁ, বাসন্তী, ভাঙড়ের বিভিন্ন জায়গা থেকে দলে দলে আইএসএফ নেতা-কর্মীরা কলকাতা যাওয়ার জন্য রওনা দেন। কিন্তু বৈরামপুরে বাসন্তী হাইওয়েতেই তাঁদের আটকাতে ব্যবস্থা নেয় পুলিশ। দেওয়া হয় ব্যারিকেড। আন্দোলনকারীদের দল ওই জায়গায় পৌঁছলেই শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি। ব্যারিকেড টপকানোর চেষ্টা শুরু হলে লাঠিচার্জ করে পুলিশ।
বিগত কয়েক দিন ধরে রাজ্যের নানা প্রান্তে ওয়াকফ-বিরোধিতায় যা ঘটনা ঘটছে তাতে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশ। ডিজি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনও গুন্ডামী বরদাস্ত করা হবে না। এদিকে ভাঙড়ের কর্মসূচি নিয়ে পুলিশের দাবি, তাঁদের কাছ থেকে কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। তাই এই ধরনের কোনও কর্মসূচি তাঁরা হতে দেবেন না।
আইএসএফ বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকি পাল্টা পুলিশের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলে দাবি করেছেন, ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের ইস্যু থেকে মানুষের নজর ঘুরিয়ে দিতে এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। ওয়াকফ আইনের বিরোধিতায় মিছিলে বাধা দেওয়া হচ্ছে যাতে উত্তেজনা তৈরি হয়। সরাসরি পুলিশকেই উত্তেজনা তৈরির জন্য দায়ী করেছেন তিনি।
মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ-সহ একাধিক অশান্ত এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজ্য পুলিশের তরফে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করা হয়েছে। এরই মধ্যে ভাঙড়ে আলাদা করে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ায় কার্যত তটস্থ রাজ্যবাসী। নতুন করে মুর্শিদাবাদের মতো পরিস্থিতি যাতে না হয়, সেই বিষয়টির দিকে নজর দিচ্ছে পুলিশ।