
শেষ আপডেট: 7 April 2020 07:39
সরকারি বেসরকারি নানা স্তরে প্রচারেও কাজ হয়নি পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরেও। এলাকার সালিমডাঙা বাজারেও সোমবার উপচে পড়ে ভিড়। জামালপুর এলাকার বহু পুরনো বাজার এই সালিমডাঙা। মূলত আনাজ কেনাবেচা হয় এখানে। হুগলির কিছু এলাকা আর দক্ষিণ দামোদরের কিছু এলাকা থেকে আনাজ আসে এই এলাকায়। কেনাবেচা হয়। সপ্তাহের প্রথমদিন থিকথিকে ভিড় হয় সালিমডাঙা বাজারে।
লকডাউন চললেও তাতে কোনও ব্যতিক্রম হয়নি। শয়ে শয়ে বিক্রেতা আর ক্রেতা গায়ে গা লাগিয়ে কেনাবেচা করেছেন এদিনও। সচেতনতার কোনও বালাই নজরে আসেনি। এত প্রচারের কোনও প্রভাবও দেখা যায়নি। সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার জন্য বারবার অনুরোধ করছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু বেপরোয়া ভাব কিছুতেই কাটছে না।
বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার বলেন, ‘‘সরকারি ভাবে ধারাবাহিক প্রচার চলছে। অনেকেই শুনছেন। কেউ কেউ আবার শুনছেনও না। এতে ক্ষতি কিন্তু সবারই। কিন্তু হুঁশ ফিরছে কই?’’
একই ছবি বাঁকুড়াতেও। ভিড় এড়াতে কোতুলপুরের সবজি বাজার স্থানীয় হাইস্কুল মাঠে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। প্রথম কয়েক দিন সব ঠিকঠাক চললেও বর্তমানে সে সব মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ। বেপরোয়া মানুষ একসঙ্গে গাদাগাদি করে বাজার করছেন নির্ভয়ে।
স্থানীয় বাসিন্দা শ্রীকান্ত পাত্র ও বিশ্বজিৎ দে বলেন, ‘‘প্রতিপদে বিপদের ভয়। তবু কেউ মানছেন না কিছু। এই অবস্থায় স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের বিষয়টির দিকে নজর দেওয়া দরকার।’’
এলাকার মানুষের অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েছেন স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য মানসী ঘোষও। তিনি বলেন, প্রথম দিকে সব ঠিকঠাক ছিল। এখন অনেকেই সামাজিক দূরত্ব রাখার কথা মাথাতেই রাখছেন না। আমাদের প্রচার আমরা চালিয়ে যাচ্ছি।’’