দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: বিশ্ববাংলা ক্রীড়াঙ্গনে করোনা হাসপাতাল তৈরির কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। আগামী সপ্তাহের প্রথমদিক থেকেই এই হাসপাতালে চিকিৎসা শুরু হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা। উত্তরবঙ্গে করোনা মোকাবিলায় এই হাসপাতালকে বেস করার ভাবনা রাজ্যের। বৃহস্পতিবার রাতে হাসপাতালের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেন আইএমএর উত্তরবঙ্গের কো-অর্ডিনেটর ডাক্তার সুশান্ত রায় ও জলপাইগুড়ি হাসপাতালের সুপার ডাক্তার গয়ারাম নষ্কর। শুক্রবার থেকেই ভেন্টিলেটর ও ডায়ালেসিস মেশিন বসানো শুরু হয়ে গেছে ৩০০ শয্যার এই হাসপাতালে।
বৃহস্পতিবার রাতে পরিকাঠামো খতিয়ে দেখার পর ডাক্তার সুশান্ত রায় জানিয়েছিলেন, করোনা মোকাবিলায় শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এই জেলাগুলির বেস হাসপাতাল হিসেবে এই অত্যাধুনিক হাসপাতাল তৈরি হয়েছে। বিশ্ব বাংলা ক্রীড়াঙ্গনের এক তলায় এই করোনা হাসপাতালে ৩০০টি শয্যার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। থাকছে ৩ টি ওয়ার্ড।
জলপাইগুড়ি হাসপাতালের সুপার গয়ারাম নস্কর জানান, কেউ সর্দি-কাশি-জ্বরে আক্রান্ত হলে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে দেখাতে যেতে পারেন। চিকিৎসকদের সন্দেহ হলে সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে পাঠানো হবে বিশ্ববাংলা ক্রীড়াঙ্গনে তৈরি এই এই করোনা হাসপাতালে। করোনা হাসপাতালের চিকিৎসকরা সেই রোগীকে পরীক্ষা করে দরকার হলে ১ নং ওয়ার্ডে ভর্তি করে প্রয়োজনীয় টেস্ট করাবেন। যদি সংশ্লিষ্ট রোগীর কোভিড-১৯ পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ হয়, তাহলে তাঁকে পাঠানো হবে ২ নম্বর ওয়ার্ডে। কারও শারীরিক পরিস্থিতি জটিল হলে তাঁকে ৩ নম্বর ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসার ব্যবস্থা করবেন ডাক্তাররা। এই ৩ নম্বর ওয়ার্ডেই থাকবে ভেন্টিলেটর ও ডায়ালেসিসের সুবিধা।
এদিকে করোনা আক্রান্ত সন্দেহে জলপাইগুড়ি থেকে পাঠানো ৭ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ বলে খবর আসায় করোনা নিয়ে আতঙ্কের মাঝে খানিকটা স্বস্তি জলপাইগুড়িতে।