
শেষ আপডেট: 15 September 2020 15:42
চার মাস বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করেছেন তাঁরা৷ তারপরও ঠিকাদারের কাছ থেকে প্রাপ্য বেতন না মেলায় ১৫ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকাল থেকে কাজ বন্ধ করে দেয় শ্রীরামপুর শ্রমজীবী হাসপাতালের সাফাই কর্মীরা। এর ফলে আজ সকাল থেকেই শ্রমজীবী কোভিড হাসপাতালে অচলাবস্থা তৈরী হয়েছে। হাসপাতালে বর্জ্য জমে দূষণ ছড়ানোর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি রোগিদের ওয়ার্ড সাফাই না হওয়ায় নার্স এবং চিকিংসকদেরও কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছে বলে হাসপাতালের তরফে জানানো হয়।
আজ সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, হাসপাতালের সিকিউরিটি স্টাফেরাও বেতন পাননি গত এপ্রিল মাস থেকে। কোভিড সংক্রমন শুরু হতেই শ্রীরামপুর শ্রমজীবী হাসপাতালকে কোভিড হাসপাতালে পরিণত করা হয় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে।এলাকার কোভিড আক্রান্তদের চিকিংসায় গত ছয় মাস ধরে বেশ সুনামের সঙ্গেই কাজ করে আসছে শ্রমজীবী হাসপাতাল। হাসপাতাল চত্তর পরিচ্ছন্ন রাখা যাদের কাজ সেই সাফাই কর্মচারীরাও জীবনের বাজি রেখে ডাক্তার ও নার্সেদের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে গত ক'মাস কাজ করে গেছেন। কিন্তু গত চার মাস ধরে ঠিকমতো বেতন পাচ্ছিলেন না সাফাই কর্মীরা। তারা মূলত ঠিকাদারের কাছ থেকে বেতন পান। ঠিকাদারের বরাত দেন সরকার। কিন্তু গত চার মাস সেই সরকার নিযুক্ত ঠিকাদার বেতন দেয়নি এই সাফাই কর্মচারীদের। তারই প্রতিবাদে এবং প্রাপ্য বেতনের দাবিতে ১৫ তারিখ মঙ্গলবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ডাক দিলেন সাফাই কর্মীরা।
এই কর্মবিরতি দীর্ঘস্থায়ী হলে হাসপাতালের পরিষেবা বিপর্যস্ত হবে বলে আজ সাংবাদিকদের জানান শ্রমজীবী পরিচালন সমিতির সদস্যরা। তাঁরা বলেন এবিষয়ে জেলা প্রশাসন থেকে স্বাস্থ্য দফতর সব জায়গায় জানানো হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব আলোচনা করে সমাধানের পথ খোঁজা হবে।