Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'এটা কাটতে পারব না', জাতীয় পতাকার রঙের ফিতে দেখে পিছু হটলেন ওমর, মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসায় নেটপাড়া‘সবচেয়ে অসুখী বোধ করছিলাম, শিক্ষাক্ষেত্রে প্রায় পুকুর চুরির মতো ব্যাপার ঘটছিল বলে’প্রকাশিত সিবিএসই দশম শ্রেণির ফলাফল! পাশের হারে ছেলেদের টেক্কা মেয়েদের, শীর্ষে কোন শহর? নববর্ষে পারিবারিক সেলিব্রেশন, তার মাঝেই ইন্ডাস্ট্রির উন্নতির প্রার্থনা অপরাজিতারনববর্ষে রাজ্যপালের মুখে ‘পরিবর্তনের’ ডাক! ‘লাটসাহেব’কে নিয়ে ছেড়ে কথা বললেন না মমতাওস্যালাড খেলেই সুস্বাস্থ্য নয়! ভুলেও কাঁচা খাবেন না এই ৩ সবজি, কারণ জানুনইরানকে কি অস্ত্র দিচ্ছে চিন? শি জিনপিংয়ের চিঠির পর জল্পনা ওড়ালেন ট্রাম্প'দেশু ৭'-এ অনির্বাণ, এবার ‘বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা’য় কোন নায়কের এন্ট্রিতে চমক?এখনই সুরাহা নেই, রান্নার গ্যাসের আকাল চলতে পারে আরও ৪ বছর! দুশ্চিন্তা বাড়বে ভারতের আমজনতার: সূত্রলোকসভার আসন বেড়ে হচ্ছে ৮৫০, কতটা লাভ বাংলার? সবচেয়ে বেশি ও কম সিট বাড়ছে কোন রাজ্যে?

পার্থ যেন ছিলেন হেমবতী বহুগুনা, কেন তাঁকে মহাসচিব করেছিলেন মমতা?

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) মহাসচিব পদ (Secretary General) নিয়ে দলের মধ্যেই অনেকে মস্করা করতেন। বলতেন, এই পদ গোটা বিশ্বে শুধু দুজনেরই রয়েছে। রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আর তৃণমূলের মহাসচিব। কেউ বা বলতেন, তৃণমূল কংগ

পার্থ যেন ছিলেন হেমবতী বহুগুনা, কেন তাঁকে মহাসচিব করেছিলেন মমতা?

শেষ আপডেট: 29 July 2022 08:57

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) মহাসচিব পদ (Secretary General) নিয়ে দলের মধ্যেই অনেকে মস্করা করতেন। বলতেন, এই পদ গোটা বিশ্বে শুধু দুজনেরই রয়েছে। রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আর তৃণমূলের মহাসচিব। কেউ বা বলতেন, তৃণমূল কংগ্রেসে তিনি যেন ছিলেন বহুগুনা (Hemabati Bahuguna)!

কেন বলতেন? মহাসচিব পদের বুৎপত্তি কী? পার্থকে কেনই বা মহাসচিব (Secretary General) করা হয়েছিল?

সর্বভারতীয় রাজনীতিতে কোনও রাজনৈতিক দলে প্রথম বার মহাসচিব পদ (Secretary General) পেয়েছিলেন হেমবতী নন্দন বহুগুনা। এর নেপথ্যে ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। ৭৭ সালে এমার্জেন্সি প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর যখন লোকসভা ভোট ঘোষণা হল, তখন কংগ্রেস ছেড়ে নতুন দল গড়েছিলেন সাবেক দলের উত্তরপ্রদেশের নেতা হেমবতী নন্দন বহুগুণা। কংগ্রেস ছেড়ে ‘কংগ্রেস ফর ডেমোক্র্যাসি’ নামে পৃথক দল গড়েছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন: পার্থ পদ হারানোর পর মুখ খুললেন, বললেন, ‘আমি ষড়যন্ত্রের শিকার’

তার পর জনতা দলের জোটে যোগ দিয়ে মোরারজি দেশাই সরকারে মন্ত্রী হয়েছিলেন বহুগুণা। এমনকি তার পর চরণ সিং সরকারের অর্থমন্ত্রীও হয়েছিলেন। কিন্তু ১৯৮০ সালের নির্বাচনের সময়ে বহুগুণাকে বুঝিয়ে আবার দলে ফেরান ইন্দিরা। বলতে গেলে সঞ্জয় গান্ধীই সেতুবন্ধন করেছিলেন। তার পর বহুগুণাকে মর্যাদা দিতে দলের সংগঠনে নতুন পদ তৈরি করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী— মহাসচিব। বহুগুণা পরে অবশ্য ফের দল ছাড়েন এবং কংগ্রেস সংগঠনে চিরতরের জন্য মহাসচিব পদ উঠে যায়।

এখন প্রশ্ন হল, পার্থকে কেন মহাসচিব করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

জোড়াফুলের প্রবীণদের অনেকের মতে, তৃণমূল যখন ক্ষমতায় ছিল না তখন বিরোধী দলনেতা ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সুতরাং সংগঠনে তাঁর একটা বিশেষ মর্যাদা প্রাপ্য ছিল। দলে তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরই গুরুত্বপূর্ণ তিন নেতা ছিলেন মুকুল রায়, সুব্রত বক্সী ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়। মুকুল ছিলেন ফার্স্ট এমং ইক্যুয়ালস। অর্থাৎ এই তিন জন কমবেশি সমান ওজনদার হলেও মুকুল ছিলেন এগিয়ে। তাই তাঁকে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছিল। সুব্রত বক্সীর যেহেতু কোনও পরিষদীয় বা সংসদীয় পদ ছিল না তাই সুব্রত বক্সীকে রাজ্য সভাপতি করেছিলেন দিদি। তা ছাড়া বক্সীদার আনুগত্য বরাবরই প্রশ্নাতীত। সুতরাং এর পর পড়েছিল শুধু সাধারণ সম্পাদকের পদ। সে ক্ষেত্রে সংগঠনে ববি-অরূপদের সঙ্গে পার্থর মর্যাদা সমান হয়ে যেত। তাই তাঁকে মহাসচিব পদ দিয়ে অতিরিক্ত মর্যাদা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন দিদি।

মহাসচিব পদ (Secretary General) উঠে যেতে পারে কেন?

বাস্তব হল, তৃণমূলের সংগঠনে মহাসচিব বলে কোনও পদের কথা লেখা নেই। দলের সংগঠনে চেয়ারপার্সনের পরই মর্যাদা রয়েছে সাধারণ সম্পাদকদের। সেই সঙ্গে রয়েছে যুগ্ম সম্পাদক। যাঁদের কাজ হল, সাধারণ সম্পাদককে সহায়তা করা। পার্থবাবুও আসলে ছিল সাধারণ সম্পাদক। তিনি মহাসচিব নামে পরিচিত হলেও দলের ওয়েবসাইটে তাঁর নামের পাশে জেনারেল সেক্রেটারিই লেখা ছিল।

অনেকের মতে, নতুন করে কাউকে মহাসচিব (Secretary General) করে অতিশয় মর্যাদা হয়তো দিতে চাইবেন না দিদি বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই এই পদ চিরতরে উঠে যেতে পারে।

বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় যেন অভিভাবক! ‘মোমবাতি মিছিল দিয়ে বিপ্লব হবে না’ বললেন, আন্দোলনকারীদের


```