
শেষ আপডেট: 24 June 2019 13:42
বিজেপি-র বিক্ষোভ[/caption]
মাথাভাঙায় দলীয় কার্যালয়ে যান রাজ্য তৃণমূলের এই শীর্ষ নেতা। সেখানে কোচবিহারের প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারপার্সন কল্যাণী পোদ্দারকে দেখেই বিক্ষভে ফেটে পরেন তৃণমূল কর্মীরা । বিক্ষোভ এমন জায়গায় যে, কল্যাণী পোদ্দার ও তার স্বামী চন্দন দাস কে দলীয় কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যেতে হয়। একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত কল্যাণী কে দেখেই ক্ষোভে ফেটে পরেন তৃণমূলের কর্মীসমর্থকরা । তৃণমূলের কার্যালয় ঘিরে ফেলে বিরাট পুলিশবাহিনী।
কল্যাণী-চন্দন বেরিয়ে যাওয়ার পর নতুন ঝঞ্ঝাট শুরু হয় । দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীর সামনেই বেধড়ক মারা হয় মাথাভাঙার যুব সভাপতি অরুণাভ গুহকে । তৃণমূলের যুব কর্মীরা সুব্রত বক্সী ও মন্ত্রী বিনয় কৃষ্ণ বর্মনের সামনেই শুরু হয় তুমুল মারামারি। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে কিছুক্ষণের মধ্যেই এলাকা ছাড়েন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি। বাতিল করে দেন সমস্ত কর্মসূচি।
[caption id="attachment_117437" align="aligncenter" width="1080"]
তৃণমূল কার্যালয়ে বিক্ষোভ[/caption]
হঠাৎ কেন কোচবিহারে গেলেন বক্সী?
তৃণমূল সূত্রের খবর, লোকসভা ভোটের পর থেকেই মাথাভাঙা, শীতলখুচি, দিনহাটা-সহ উত্তরবঙ্গের এই জেলার একাধিক কার্যালয় বন্ধ। সেগুলি খুলতে জেলা ও ব্লক নেতাদের ভরসা দিতেই কলকাতা থেকে কোচবিহার ছুটতে হয় তাঁকে। দিন দশেক আগে, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রতিমা মণ্ডল ও মালা রায়- এই তিন সাংসদকে কোচবিহার পাঠানো হয়েছিল। সে দিনও এই মাথাভাঙাতেই বিক্ষোভের জেরে তাঁদের ফিরে আসতে হয়। তারপর ঠিক হয়েছিল বক্সী যাবেন। কিন্তু তাঁকেও ফিরতে হল কোন্দল আর কালো পতাকা দেখেই।
সব দেখে পর্যবেক্ষকদের অনেকেই বলছেন, কোচবিহারের তৃণমূলটা বোধহয় উঠেই গেল!