দ্য ওয়াল ব্যুরো: মণীশ শুক্ল খুনে সন্দেহভাজনের তালিকায় নাম এসেছে ৬ জন শার্প শ্যুটারের। ধৃত খুররমের কথায় যে তাদের আশ্রয় দিয়েছিল, সেই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল পুলিশ।
পুলিশ সূত্রের খবর, ধৃতের নাম সুবোধ যাদব। কী ভূমিকা ছিল তার?
জানা গিয়েছে, ব্যারাকপুর পুরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে একটি নির্মীয়মাণ বহুতল রয়েছে। সেই বাড়ির দোতলায় এই ৬ জন শার্প শ্যুটারকে গত মাসাবধি আশ্রয় দিয়ে রেখেছিল সুবোধ। পুলিশ সূত্রে খবর, মাটিতে গদি পেতে বালিশ বিছানা নিয়ে অস্থায়ী ভাবে সেখানে ছিল দুষ্কৃতীরা। তারা বাইরে বিশেষ বেরোত না। বরং সকালে বিকেলে তাদের খাবার দাবার সেখানেই সরবরাহ করা হত।
যে এলাকায় খুনের ঘটনাটি ঘটেছে সেখান থেকে এই বহুতলের দূরত্ব বেশি দূরে নয়। পুলিশ মনে করছে, এরা নিশ্চয়ই গত এক মাস ধরে নজরে রেখেছিল মণীশ শুক্লর গতিবিধি। তা ছাড়া মণীশের অনুগামীদের মধ্যে কোনও ইনফর্মার থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।
এ ছাড়া গতকাল রাতে ক্যানিং থেকেও একজনকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। তারপর তাকে জেরা করে আজ আরও ২ জনকে ক্যানিং থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর।
টিটাগড়ে শ্যুট আউটের ১২ ঘন্টার মধ্যেই প্রথমে খুররমকে তার বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। খুররম স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকার প্রয়াত সিপিএম নেতার ছেলে। খুররমের বাবাও খুন হয়েছিলেন। সেই ঘটনায় মণীশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। খুররমের পাশাপাশি আটক করা হয়েছিল শার্প শ্যুটার গুলাব শেখকে। তারপর নাজির খান নামে আরও এক সন্দেহভাজনকে বুধবার ভোররাতে গ্রেফতার করে সিআইডি। রাতভর জেরার পর তাকে গ্রেফতার করে সিআইডি।
সিআইডি সূত্রে খবর, ব্যারাকপুরের বিজেপি নেতাকে খুন করার আগে এলাকায় রেকি করেছিল এই নাজির। এছাড়াও যারা গুলি চালিয়েছিল সেই শ্যুটারদের সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল তার। তবে নাজির নিজে গুলি চালিয়েছিল কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।