দ্য ওয়াল ব্যুরো: আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে বসে, তাঁদের নিরাপত্তার সংক্রান্ত বিষয়ে এবং বাকি দাবি নিয়ে কথা বলার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে আবেদন জানালেন রাজ্যপাল।
আজ শনিবার এ বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে ফের একটি চিঠি পাঠিয়েছেন রাজ্যপাল কেশরী নাথ ত্রিপাঠী। অবিলম্বে ডাক্তারদের নিরাপত্তার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যও মুখ্যমন্ত্রীকে আবেদন জানিয়েছেন রাজ্যপাল। ওই চিঠিতে রাজ্যপাল আরও লিখেছেন, উনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু কোনও সাড়া পাননি। এই বিষয়টিও তাঁকে যথেষ্ট দুঃখ দিয়েছে।
ইতিমধ্যেই নবান্নে ৫ জন সিনিয়র ডাক্তারকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আবেদন জানানো হয়েছিল জুনিয়র ডাক্তারদেরও। কিন্তু শুক্রবার ৫ জন সিনিয়র ডাক্তার নবান্নে গেলেও যাননি কোনও জুনিয়র ডাক্তার। শনিবারও বিবৃতি দিয়ে তাঁরা সাফ জানিয়ে দেন নবান্নে গিয়ে কথা বলবেন না। বরং মুখ্যমন্ত্রীকে 'অনুরোধ' তিনি যেন এনআরএস-এ আসেন। তারপর তাঁদের সমস্যা শুনে সমাধান করেন।
এ দিকে মুখ্যমন্ত্রী শনিবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, "কাল ৫ ঘণ্টা অপেক্ষা করেছিলাম। ওরা (পড়ুন জুনিয়র ডাক্তার) আসেনি। আজও ৩ ঘণ্টা অপেক্ষা করলাম। আসবে বলেও এলো না। সিনিয়র ডাক্তাররা অনেক চেষ্টা করেছেন ওদের এখানে আনার। পারেননি।" এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "আমি মনে করি নবান্ন প্রশাসনের সর্বোচ্চ জায়গা। সেখানে এসে কোনও বিষয়ে আলোচনা করা অত্যান্ত সম্মানের।" এ দিন হাবেভাবে মুখ্যমন্ত্রী বুঝিয়ে দিয়েছেন, এনআরএস-এ তিনি যাবেন না। বরং আলোচনার জন্য জুনিয়র ডাক্তারদেরই আসতে হবে নবান্নে।
দু'পক্ষের টানাপোড়েনে এখনও মুখোমুখি বসে কথাই হয়নি কারও। তবে রাজ্যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় অচলাবস্থা কাটাতে এ বার সক্রিয় হয়েছে রাজভবন। এর আগেও একবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলতে চেয়েছিলেন রাজ্যপাল। তবে সাড়া পাননি। তাই শনিবার রাজভবনের তরফে নবান্নে ফের একটি চিঠি পাঠানো হয়। সেখানে স্পষ্টতই রাজ্যপাল আবেদন জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী যেন আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে বসে কথা বলেন। পাশাপাশি ডাক্তারদের কাছেও আবেদন জানিয়েছেন, তাঁরা যেন ডিউটিতে ফেরেন।