Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অপরিচিতকেও চিনিয়ে দেবে মেটার ‘স্মার্ট গ্লাস’! অপরাধ বাড়তে পারে, বিপদ দেখছে মানবাধিকার সংগঠনগুলিপ্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল?

চলছে লোকাল ট্রেন, কড়াকড়িতেও চেনা ছন্দে হাওড়া-শিয়ালদহ, সামাজিক দূরত্ব নিয়ে সংশয় রয়েই গেল

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রায় ৮ মাস পর ট্রেনের চাকা গড়ালো বাংলায়। প্রথম দিকে যাত্রী সংখ্যা একটু কম থাকলেও বেলা বাড়তেই চেনা ছন্দে ফিরল অন্যতম দুই ব্যস্ত স্টেশন হাওড়া এবং শিয়ালদহ। টিকিট কাউন্টারেও ছিল যাত্রীদের লম্বা লাইন। গতকাল রাত ২টো ৫০মিনিটে প্র

চলছে লোকাল ট্রেন, কড়াকড়িতেও চেনা ছন্দে হাওড়া-শিয়ালদহ, সামাজিক দূরত্ব নিয়ে সংশয় রয়েই গেল

শেষ আপডেট: 11 November 2020 04:21

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রায় ৮ মাস পর ট্রেনের চাকা গড়ালো বাংলায়। প্রথম দিকে যাত্রী সংখ্যা একটু কম থাকলেও বেলা বাড়তেই চেনা ছন্দে ফিরল অন্যতম দুই ব্যস্ত স্টেশন হাওড়া এবং শিয়ালদহ। টিকিট কাউন্টারেও ছিল যাত্রীদের লম্বা লাইন। গতকাল রাত ২টো ৫০মিনিটে প্রথম মেদিনীপুর লোকাল ছাড়ে হাওড়া স্টেশন থেকে। তখন অবশ্য যাত্রীসংখ্যা ছিল হাতে গোনা। তবে সকাল থেকে যাত্রীদের ভিড় বাড়তে থাকে। কোভিড সংক্রমণ রুখতে ঘন ঘন স্যানিটাইজ করা হচ্ছে স্টেশন চত্বর। যাত্রীদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। ট্রেনে উঠতে দেওয়া হচ্ছে না কোনও হকার। তৎপর রয়েছে রেল পুলিশ।  অন্যদিকে, ভোর ৩টে ৫মিনিটে শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার পরিষেবা চালু হয়। ক্যানিং স্টেশন থেকে শিয়ালদহের দিকে রওনা হয় আপ ক্যানিং লোকাল। যাত্রী সংখ্যা ছিল ১১৫ জন। এদিন প্রথম থেকেই সুন্দরবনের প্রবেশ দ্বার ক্যানিং ষ্টেশনে স্বাস্থ্যবিধি সুরক্ষার জন্য ছিল ব্যাপক কড়াকড়ি। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন সহ আরপিএফ, জিআরপি পুলিশের সংখ্যা ছিল নজরকাড়া। সাধারণ যাত্রীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনেই টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট কেটে ট্রেনে চড়েন। সব যাত্রীদের মুখে ছিল মাস্ক। তবে হাওড়া এবং শিয়ালদহ দুই স্টেশনেই টিকিট কাউন্টারে ছিল লম্বা লাইন। সেখানে যাত্রীরা কতটা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে পেরেছেন তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকে। যাত্রীদের একাংশের অভিযোগ, সাউথ সেকশনে একগাদা অটোমেটিক টিকিট ভেন্ডিং মেশিন থাকলেও কাজ করছে না একটাও। অনেক ক্ষেত্রেই যাত্রীরা গোল দাগের ভিতর না দাঁড়িয়ে গায়ে গায়ে দাঁড়িয়ে পড়ছেন। শুধু তাই নয়, ট্রেন থেকে নামার পর যাত্রীদের যে ঢল আগে দেখা যেত সেই একই ছবি রয়েছে শিয়ালদহ এবং হাওড়ায়। শিকেয় উঠেছে বিধিনিষেধ।  উল্লেখ্য করোনা আবহে গত ২৩ মার্চ থেকে লোকাল ট্রেন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়েছিল। টানা ২৩৪ দিন বন্ধ ছিল লোকাল ট্রেন চলাচল। মাঝে কিছু লোকাল ট্রেন অবশ্য চলেছে। তবে তা জরুরি পরিষেবায় কর্মরতদের পরিষেবা দেওয়ার জন্য। এদিকে ধীরে ধীরে লকডাউন শিথিল হওয়ায় ক্রমশ অফিস, কাছারি খুলতে শুরু করে। কিন্তু বাস, ট্রেন সবই পাল্লা দিয়ে কমে যাওয়ায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছিলেন নিত্যযাত্রীরা। জরুরি পরিষেবায় কর্মরতদের জন্য চালু হওয়া ট্রেনে সাধারণ মানুষের ওঠা এবং তাতে পুলিশ বাধা দেওয়ায় ব্যাপক বিক্ষোভও হয়েছিল একাধিক স্টেশনে। তবে শেষ পর্যন্ত লোকাল ট্রেন চালু হওয়ায় স্বস্তিতে আমজনতা। তাড়া আশাবাদী এবার অন্তত গত কয়েকমাসের ভোগান্তির অবসান হবে।  আজ থেকে চালু হয়েছে বর্ধমান-হাওড়া লোকাল ট্রেনের পরিষেবাও। স্বস্তিতে নিত্যযাত্রীরা। বুধবার ভোররাত থেকেই চলতে শুরু করেছে ট্রেন। বর্ধমান স্টেশনেও বিধিনিষেধ মানার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। স্টেশনের ঢোকার মুখে করা হচ্ছে থার্মাল স্কিনিং। মাস্ক না থাকলে রেল পুলিশ যাত্রীদের মাস্ক বিলি করছে। ট্রেনের কামরায় কোভিড বিধি মানা হচ্ছে কিনা সেদিকেও নজর রাখছে পুলিশ। এদিন সকাল থেকে দেখা গেছে যাত্রীরা নিজেরাই যথেষ্ট সতর্ক রয়েছেন। দূরত্ববিধি মেনেই সিটে বসেছেন তাঁরা। তবে বেলা গড়ালে যাত্রীদের ভিড় বাড়লে এই সব স্বাস্থ্যবিধি আদৌ কতটা মানা সম্ভব হবে সেটাই এখন চ্যালেঞ্জ সকলের কাছে। লোকাল ট্রেনের পরিষেবা চালু হয়েছে শিয়ালদহ-রানাঘাট বিভাগেও। এছাড়া বসিরহাট, হাসনাবাদ ও শিয়ালদা স্টেশনে বিভিন্ন লোকাল ট্রেনে সকাল থেকেই নিত্যযাত্রীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মত। প্রায় সব স্টেশনেই সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে, মুখে মাক্স পরে টিকিট কাউন্টারে লম্বা লাইন দিয়েছেন যাত্রীরা। সেই সঙ্গে রয়েছে ট্রেন থেকে নামা যাত্রীর ঢল। ভিড় সামলাতে হিমশিম অবস্থা রেল পুলিশের। পূর্ব রেলওয়ের শিয়ালদা মেন ও উত্তর শাখায় আজ সকাল থেকে লোকাল ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। শিয়ালদা থেকে ব্যারাকপুর, নৈহাটি, কল্যাণী সীমান্ত, রানাঘাট, কৃষ্ণনগর, গেঁদে, শান্তিপুর এবং বনগাঁ ও হাসনাবাদ শাখায় চালু হওয়া ট্রেনগুলিতে ভোরের দিকে যাত্রী সংখ্যা কম হলেও বেলা গড়ালে তা বাড়তে শুরু করে। প্রতিটি স্টেশনেই রেল ও রাজ্য পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে। যাত্রীদের থার্মাল চেকিংয়ের পাশাপাশি মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

```