Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অপরিচিতকেও চিনিয়ে দেবে মেটার ‘স্মার্ট গ্লাস’! অপরাধ বাড়তে পারে, বিপদ দেখছে মানবাধিকার সংগঠনগুলিপ্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল?

মিটিং-মিছিল তো করছেন, বিধানসভা খুলতে কী অসুবিধা, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি মান্নান-সুজনের

  দ্য ওয়াল ব্যুরো: শপিংমল খোলা, রেস্তোরাঁ খোলা, মিছিল-মিটিং হচ্ছে, তাহলে করোনার দোহাই দিয়ে বিধানসভা বন্ধ রাখার মানে কী? এই প্রশ্ন তুলেই বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখল এরাজ্যের কংগ্রেস ও বাম পরিষদীয় দল। বিরোধ

মিটিং-মিছিল তো করছেন, বিধানসভা খুলতে কী অসুবিধা, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি মান্নান-সুজনের

শেষ আপডেট: 31 December 2020 12:49

  দ্য ওয়াল ব্যুরো: শপিংমল খোলা, রেস্তোরাঁ খোলা, মিছিল-মিটিং হচ্ছে, তাহলে করোনার দোহাই দিয়ে বিধানসভা বন্ধ রাখার মানে কী? এই প্রশ্ন তুলেই বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখল এরাজ্যের কংগ্রেস ও বাম পরিষদীয় দল। বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান ও সুজন চক্রবর্তী স্বাক্ষরিত দু’পাতার চিঠিতে একাধিক দাবিতে অবিলম্বে বিধানসভা অধিবেশন ডাকার দাবি জানানো হয়েছে। মান্নান সাহেব এবং সুজনবাবু ওই চিঠিতে লিখেছেন, রাজ্যে সব চলছে। রাজনৈতিক দলগুলি মিছিল মিটিং করছে। আপনিও তার অংশীদার। তাহলে বিধানসভার অধিবেশন আহ্বান করতে অসুবিধা কোথায়? ওই চিঠিতে বাম-কংগ্রেসের তরফে প্রশ্ন তুলে বলা হয়েছে, মানুষ যখন স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার চেষ্টা করছে, তখন করোনার কারণে জনপ্রতিনিধিদের বিধানসভার অধিবেশন বন্ধ রাখা কি সমীচীন? মানুষের কাছে কী বার্তা যাবে? মান্নান-সুজন বলেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার যে কৃষিআইন প্রণয়ন করেছে তার বিরুদ্ধে রাজস্থান, ছত্তীসগড়, পাঞ্জাব, কেরলের মতো একাধিক রাজ্য সরকার আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে প্রতিষেধক ব্যবস্থা নিচ্ছে। বিধানসভায় প্রস্তাব পাশ করাচ্ছে। অতীতেও যে কেন্দ্রীয় আইনের বিরুদ্ধে বাংলার বিধানসভায় প্রস্তাব পাশ হয়েছে তাও মুখ্যমন্ত্রীকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন দুই বিরোধী নেতা। ধান-সহ অন্যান্য কৃষিজাত দ্রব্যের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নির্ধারণেরও দাবি জানিয়েছে বাম ও কংগ্রেস পরিষদীয় দল। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে লেখা চিঠিতে এও বলা হয়েছে, তিনি বিভিন্ন প্রশাসনিক সভা থেকে এমন এমন ঘোষণা করছে যা ২০২০-২১ অর্থবর্ষের বাজেটের মধ্যে নেই। তাহলে কি এটা মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে না? সুজনআবুদের বক্তব্য, বাজেটে যদি অর্থের সংস্থানই না থাকে তাহলে কি আকাশ থেকে টাকা আসবে? আর যদি অন্য খাতের থেকে টাকা কেটে নতুন প্রকল্পে দেওয়া হয় তার জন্যও আলোচনা প্রয়োজন। বাম-কংগ্রেস নেতাদের বক্তব্য, ওদিকে দিল্লির সরকার যে ভাবে সংসদকে বাইপাস করে সব করতে চাইছে। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সরকারও একই কাজ করছে।

```