
শেষ আপডেট: 6 January 2020 06:30
দোকানি ও স্থানীয় মানুষজন তখনই খবর দেন পুলিশে। এলাকায় লোক জমে যায়, গাড়ি আটকে পড়ে সাময়িক ভাবে তীব্র যানজট তৈরি হয়। তবে পুলিশ দ্রুত দেহ উদ্ধার করে নিয়ে সিউড়ি হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। সেখান থেকে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।
মৃত ব্যক্তির পকেট থেকে যে সব কাগজপত্র পাওয়া গেছে তা থেকে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ওই ব্যক্তি ঝাড়খণ্ডের দুমকা অথবা দুমকা লাগোয়া কোনও এলাকার বাসিন্দা। তবে তাঁর নাম-পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
পুলিশ জানিয়েছে এই এলাকায় পাথর ও বালির লরির সংখ্যা যথেষ্ট বেশি হয়ে যাওয়ার যান নিয়ন্ত্রণের জন্য সময় বেঁধে দেওয়া হয় বছর দুয়েক আগে। বড় গাড়ি বা ডাম্পার চলাচলের সময় রাত ১২টা থেকে সকাল ছ’টা এবং ট্রাক্টর বা ওই জাতীয় গাড়ি চলার সময় রাত ন’টা থেকে সকাল ন’টা পর্যন্ত। সেই হিসাবে ট্রাক্টরটি বেআইনি ভাবে এখানে আসেনি। প্রত্যক্ষদর্শীরাও জানিয়েছেন যে ট্রাক্টরটির কোনও দোষ ছিল না।
পুলিশের হস্তক্ষেপে কিছুক্ষণের মধ্যেই যানজট কেটে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়। পুলিশ ওই ট্রাক্টরটিকে আটক করে নিয়ে গেছে। ট্রাক্টরটির চালক পলাতক। মৃত ব্যক্তির নাম-পরিচয় জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় সাময়িক উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও কোনও অশান্তি হয়নি বলে এলাকার লোকজন জানিয়েছেন। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।