
শেষ আপডেট: 18 November 2022 05:57
দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: ৭৬৩ জনের মিড ডে মিল (Midday Meal Controversy) তৈরি হবে বলে পাঠানো হয়েছিল এসএমএস। কিন্তু স্কুলে উপস্থিত রয়েছে ৫২০ জন পড়ুয়া। এমনই গড়মিল ধরা পড়ল ময়নাগুড়ি ব্লকের আমগুড়ি রামমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে (High School)। এই ঘটনা ঘিরে হইচই পড়ে গেছে। ঘটনার তদন্ত করতে প্রধান শিক্ষকের কাছে মিড ডে মিল সংক্রান্ত যাবতীয় নথি চাওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই বিদ্যালয়ে সারপ্রাইজ ভিজিটে গিয়েছিলেন ময়নাগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শিবম রায় বসুনিয়া, জয়েন্ট বিডিও মহম্মদ কাজি মবিন, স্কুল পরিদর্শক নবনীতা মুখোপাধ্যায়। তাঁরা স্কুলে প্রবেশ করতে মিড ডে মিলের রান্না পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে যা দেখলেন, তাতে চোখ কপালে ওঠার জোগার।
পরিদর্শকরা দেখেন, জ্বালানি কাঠের উনুনে রান্না হচ্ছে মিড ডে মিল। অ্যাপ্রন পরেননি সহায়িকারা। মিড ডে মিলের বোর্ডটি অযত্নে পড়ে রয়েছে। মহিলা শৌচাগারে দরজা নেই। এরপর মিড ডে মিল রেজিস্ট্রারে চোখ যেতেই আরও অসঙ্গতি ধরা পড়ে। দেখা যায়, স্কুল থেকে বিডিও অফিসে ৭৬৩ জনের উপস্থিতি সংক্রান্ত এসএমএস পাঠানো হয়েছে। কিন্তু স্কুলের অ্যাটেনডেন্স রেজিস্ট্রারে ৫২০ জন পড়ুয়া উপস্থিত রয়েছে। এর পরেই সমস্ত নথি নিয়ে প্রধান শিক্ষককে বিডিও অফিসে দেখা করার নির্দেশ দেন আধিকারিকরা।
কোর্স শেষ করতেই হবে, যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেনে পাড়ি আমতার ডাক্তারি পড়ুয়ার
বিষয়টি নিয়ে স্কুল পরিদর্শক নবনীতা মুখোপাধ্যায় বলেন, খাবারের গুণগত মান ঠিকঠাক থাকলেও মিড ডে মিলের কাগজে প্রচুর গাফিলতি রয়েছে। কোন কাগজপত্র সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে না।সভাপতি ময়নাগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতি, শিবম রায় বসুনিয়া জানান, আসল ঘটনা খতিয়ে দেখার জন্য প্রধান শিক্ষককে ডেকে পাঠানো হয়েছে।
যদিও স্কুলের প্রধান শিক্ষক তাপস চন্দ্র রায়ের কাছ থেকে মিড ডে মিল সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্কুলে নবম, দশম শ্রেণির পরীক্ষা হচ্ছে। তাই সবার উপস্থিতি এখনও রেজিস্টারে ওঠেনি। স্কুলে স্টাফ কম। তাই সমস্ত কিছু দেখভাল করতে খুব মুশকিল হচ্ছে।
স্কুলে ছাত্রদের উপস্থিতির বেশি পরিমাণ মিড ডে মিল রান্না হচ্ছে। আর এইসব রান্না হয়ে যাচ্ছে কোথায় যাচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে এলাকায়।