
শেষ আপডেট: 16 December 2022 08:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নবম-দশম শ্রেণির সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ওয়েটিং লিস্টে থেকেই জাম্প করে চাকরি পেয়েছেন কেউ কেউ, এমনই মন্তব্য করলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Ganguly)। তিনি স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছে জানতে চান, কার সুপারিশে (recommendation) তাঁরা চাকরি পেলেন? কে কে তাঁদের হয়ে সুপারিশ করেছিলেন?
শুক্রবার নবম-দশম শ্রেণির সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে। মামলাকারী পূর্বিতা রায়ের অভিযোগ ছিল, বয়স ও মেধা না থাকা সত্ত্বেও ৯ জনকে বেআইনিভাবে চাকরি দেওয়া হয়েছে।
এই মামলার শুনানিতে মামলাকারীর আইনজীবী আদালতে জানান, হাইকোর্টের নির্দেশে যে ১৮৩ জন 'অযোগ্য' শিক্ষকের তালিকা ও ওএমআর শিট প্রকাশ করতে বলা হয়েছিল সেখান থেকেই এই তথ্য পাওয়া গেছে। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় এসএসসির আইনজীবীকে প্রশ্ন করেন, 'এই নিয়োগের বিষয়ে কার কার সুপারিশ ছিল?'
এর পরেই বিচারপতি বলেন, ওয়েটিং লিস্টে থাকা যে ৯ জন চাকরিপ্রার্থীদের সুপারিশ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের যদি বয়স ও মেধা না থাকে তবে তা খতিয়ে দেখতে হবে। আগামী বুধবার এসএসসি, মামলাকারীর আইনজীবী ও আবেদনকারী মিলে বৈঠক করবে। তারপরই এসএসসি এই নিয়ে আগামী ২২ ডিসেম্বরের মধ্যে রিপোর্ট দেবে।
আরও বলা হয়েছে, যদি এই ৯ জন মামলায় অন্তর্ভুক্ত হতে চান তবে তা হতে পারেন। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে জানাতে হবে তাঁরা এই মামলায় যুক্ত হচ্ছেন কিনা। ইমেলের মাধ্যমে তাঁরা আবেদন জানাতে পারবেন।