দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনাকালে মাস্ক না পরায় আর্থিক জরিমানা সহ নানা ধরনের সাজা চালু আছে। কান ধরে ওঠবস, রামের নাম লেখা, মর্গে পা রাখা-এমনই সব শাস্তির বিধান দিচ্ছে পুলিশ। কিন্তু তা বলে মাস্ক না পরার শাস্তি কখনও ধর্ষণ হতে পারে? গুজরাতে সুরাতের উমরপাড়া থানার এক কনস্টেবলের বিরুদ্ধে মাস্ক না পরায় এক বিবাহিত মহিলাকে ভয় দেখিয়ে বারংবার ধর্ষণেরই অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগকারিণীর দাবি, ২০২০-র লকডাউনের সময় তিনি একদিন দুধ কিনতে পালসানায় বাড়ির বাইরে বেরিয়েছিলেন। মুখে মাস্ক ছিল না তাঁর। আচমকা ওই কনস্টেবল হাজির হন। থানায় নিয়ে যাওয়ার ভয় দেখিয়ে তাঁকে পালসানা থেকে অপহরণ করেন। কিন্তু থানার পরিবর্তে তাঁকে নবসারি রোডে এক জায়গায় নিয়ে গিয়ে বিবস্ত্র করে মারধর করেন। তাঁর আপত্তিকর ছবি তোলেন, তাঁকে ধর্ষণও করেন। পরে ছবিগুলি কাজে লাগিয়ে ব্ল্যাকমেল করে তাঁকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন ওই কনস্টেবল। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ভয় দেখান।
তবে অভিযোগকারিণীর বিরুদ্ধে পাল্টা নালিশ তুলেছেন অভিযুক্ত কনস্টেবল নরেশ কাপাড়িয়ার স্ত্রী। তিনি বলেছেন, ধর্ষিতা বলে দাবি করা মহিলা ও তার স্বামী তাঁদের বাড়িতে চড়াও হয়ে জাতপাত তুলে গালিগালাজ করেছেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে ওই দুজনের বিরুদ্ধে তফসিলি জাতি ও উপজাতি নির্যাতন রোধ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
এদিকে প্রাথমিক তদন্তে প্রকাশ, নরেশ আগে পালসানা থানায় নিযুক্ত ছিলেন। ধর্ষণের অভিযোগ আনা মহিলাদের সঙ্গে তাঁর হাতাহাতির ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর তাঁকে উমরপাড়া থানায় বদলি করা হয়।
যদিও মামলার ব্যাপারে ওয়াকিবহাল জনৈক পুলিশ অফিসারের বক্তব্য, কনস্টেবল ও অভিযোগকারিণীর মধ্যে আগে থেকে সম্পর্ক ছিল বলে মনে হয়। এখন বিবাদ, গন্ডগোল হওয়ায় উভয়েই পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন।