Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অপরিচিতকেও চিনিয়ে দেবে মেটার ‘স্মার্ট গ্লাস’! অপরাধ বাড়তে পারে, বিপদ দেখছে মানবাধিকার সংগঠনগুলিপ্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল?

কলেজে ভর্তি দুর্নীতি বিক্ষিপ্ত ঘটনা, মিডিয়ার বিভ্রান্তি : বিধানসভায় শিক্ষামন্ত্রী

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলেজে কলেজে ভর্তি দুর্নীতি নিয়ে উচ্চমাধ্যমিকের পর থেকে সরগরম হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। কিন্তু সোমবার বিধানসভায় শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন,  “প্রথম থেকে দু একটা কলেজে বিক্ষিপ্ত  ঘটনা হয়েছে বলে সেটা নিয়ে দেখানো হচ্ছে। 

কলেজে ভর্তি দুর্নীতি বিক্ষিপ্ত ঘটনা, মিডিয়ার বিভ্রান্তি : বিধানসভায় শিক্ষামন্ত্রী

শেষ আপডেট: 30 July 2018 09:55

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলেজে কলেজে ভর্তি দুর্নীতি নিয়ে উচ্চমাধ্যমিকের পর থেকে সরগরম হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। কিন্তু সোমবার বিধানসভায় শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন,  “প্রথম থেকে দু একটা কলেজে বিক্ষিপ্ত  ঘটনা হয়েছে বলে সেটা নিয়ে দেখানো হচ্ছে। সংবাদ মাধ্যম বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।”

এ দিন বিধানসভার অধিবেশনে কলেজে কলেজে ভর্তি দুর্নীতি নিয়ে আলোচনার দাবি করেন বিরোধীরা। তাতেই অংশ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সরকার অনলাইনে ভর্তি চালু করেছে। মোট আসন ৪.৫ লক্ষ। এখনও অনেক ভাল ভাল কলেজে আসন ফাঁকা রয়েছে।’ সেই সঙ্গে পার্থবাবু এও বলেন, ‘যেখানে নির্দিষ্ট অভিযোগ এসেছে সেখানেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ রাজ্যের শিক্ষা দফতরের তরফে কলেজগুলিকে ব্যাঙ্কের মাধ্যমে ভর্তির ফি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

শিক্ষামহলের মতে, এই কারণেই গোটা ভর্তি প্রক্রিয়া সেন্ট্রাল অনলাইন করা উচিত। রাজ্যের এক শিক্ষাবিদ বলেন, ‘ব্রাত্যবাবু এসে কেন্দ্রীয় অনলাইন ভর্তি প্রক্রিয়া চালু করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবায়িত হওয়ার আগেই কোনও এক অজ্ঞাত কারণে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়।’ তাঁর কথায়, “এই প্রক্রিয়া চালু হলে জল-দুধ পরিষ্কার হয়ে যেত। ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেরাই দেখে নিতে পারত কোন কলেজে কত সিট ফাঁকা আছে। এত জটিলতাই থাকত না।”

প্রসঙ্গত, শহর কলকাতা সহ জেলায় জেলায় বিভিন্ন কলেজে শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে সিট বিক্রির অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীকেও হস্তক্ষেপ করতে হয়। আশুতোষ কলেজ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আলিপুর ক্যাম্পাসে নিজে যান মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু তাও সমস্যা মেটেনি। নম্বর থাকা সত্ত্বেও টাকার জন্য ভর্তি হতে না পেরে গড়িয়ার এক ছাত্র আত্মঘাতীও হয়। এ দিন বিধানসভায় পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘কিছু বহিরাগত এই কাজ করেছে।’ বিরোধীদের অভিযোগ, প্রায় সব কলেজেই এই কাণ্ডে জড়িত ছিল টিএমসিপি’র নেতা-কর্মীরা। যে কারণে জয়া দত্তকে সংগঠনের রাজ্য সভাপতির পদ থেকেও সরিয়ে দেন দিদিমণি। বারবার দরবার করেও লাভ হয়নি। ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে ২৮ অগস্ট টিএমসিপি’র প্রতিষ্ঠা দিবসের সমাবেশ সভাপতি ছাড়াই হবে কি না তা নিয়ে। এ দিন বিধানসভার অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী ভর্তি দুর্নীতি ঠেকাতে, বিরোধীদের সহযোগিতার কথাও বলেন।

বিধানসভার বাইরে বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘পার্থবাবু ডাহা মিথ্যে কথা বলছেন। এই গোটা দুর্নীতিতে তৃণমুল যুক্ত। বহিরাগত হলে কখনও মুখ্যমন্ত্রী ও কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে নামতে হয়!”


```