
শেষ আপডেট: 20 December 2022 12:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০১৬ সালের প্রাথমিক নিয়োগ মামলায় গোটা প্যানেল বাতিল করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Ganguly)। মঙ্গলবার ভুয়ো নিয়োগ (Illegal Recruitment) সংক্রান্ত মামলার শুনানিতেই বিচারপতি আরও কড়া সুরে বলেন, যদি বেআইনিভাবে কেউ চাকরি পেয়ে থাকেন, আর সেটা যদি প্রমাণিত হয় তবে সকলের চাকরি বাতিল করবে আদালত।
২০১৬ সালের প্রাথমিক নিয়োগ সংক্রান্ত একটি জনস্বার্থ মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব নির্দেশ দিয়েছিলেন, ফলাফল ঘোষণা করতে হবে পর্ষদকে। আদালতের নির্দেশ মেনে তা ঘোষণাও করে পর্ষদ। কিন্তু তাতেও নাকি বিস্তর অসঙ্গতি!
মামলাকারীদের অভিযোগ ছিল, ২০১৬ সালের প্যানেলে এমন অনেকের নাম রয়েছে যাঁদের নম্বর তাঁদের থেকে কম। তারপরেও প্যানেলে নথিভুক্ত হয়েছেন তাঁরা। এই মামলায় আর্জি ছিল, যাঁরা নিয়োগ পেয়েছিলেন, তাঁদের ভিত্তি ছিল প্রভাবশালীদের সুপারিশ। পাশাপাশি মামলাকারীরা ১৩৯ জনের একটি তালিকা প্রস্তুত করে আদালতে জমা দেন। তাঁদের দাবি, এই ১৩৯ জনের নম্বর প্যানেলভুক্তদের তুলনায় বেশি।
এদিন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বোর্ডকে নির্দেশ দেন, এই ১৩৯ জনের নম্বর যাচাই করে দেখার জন্য। মামলাকারীদের তালিকার সঙ্গে বোর্ডের তালিকা মিলিয়ে দেওয়ার কথাও বলেছেন বিচারপতি। মামলাকারীদের অভিযোগ, মূলত উত্তর-দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর দিনাজপুর থেকেই অবৈধভাবে চাকরি পেয়েছেন বেশি।
মামলাকারীদের অভিযোগ, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ওয়েবসাইটে যে তথ্য আপলোড করা হয়েছে সেখানে সিংহভাগই ভুয়ো। তাঁদের দাবি, ৪২ হাজারের মধ্যে ৩২ হাজার পরীক্ষার্থীর নম্বর বেআইনি ভাবে বাড়ানো হয়েছিল।
এই মামলার শুনানিতেই বিচারপতি পূর্বেই মন্তব্য করেছিলেন, ‘আমি ঢাকি সমেত বিসর্জন দিয়ে দেব!’ এদিন সেই রেশ টেনেই ফের চাকরি বাতিলের হুঁশিয়ারি দিলেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে ফলে যদি এই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হয় তবে ৩২ হাজার 'বেআইনি' নিয়োগের চাকরি প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।
চুরির শাস্তি! ১০ বছরের ছেলের গোপনাঙ্গে লঙ্কাগুঁড়ো ছিটিয়ে বেঁধে রাখল প্রতিবেশী