দ্য ওয়াল ব্যুরো : করোনা অতিমহামারীর জেরে এপ্রিল মাসে একটিও গাড়ি বিক্রি করতে পারেনি মারুতি সুজুকি। কিন্তু সোমবার সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মে মাসে তারা বিক্রি করেছে ১৩ হাজার ৮৬৫ টি গাড়ি। অর্থাৎ অতিমহামারীর ধাক্কা সামলে ধীরে ধীরে চাঙ্গা হচ্ছে গাড়ির বাজার। যদিও কোভিড ১৯ রোগ দেখা দেওয়ার আগে বাজার যে অবস্থায় ছিল এখনও তার ধারেকাছে নেই।
সরকারি বিধিনিষেধ মেনে মে মাস থেকেই উৎপাদন শুরু করেছে মারুতি। ১২ মে মানেসর ও ১৮ মে গুরুগ্রামের কারখানা চালু হয়েছে। ২৫ মে থেকে সুজুকি মোটর গুজরাত প্রাইভেট লিমিটেডে উৎপাদন শুরু হয়েছে। মানেসরে কারখানায় উৎপাদন চালু হওয়ার পরে এক কর্মী করোনায় আক্রান্ত হন। কোম্পানি সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেয় যাতে আর কোনও কর্মী ওই ভাইরাসে আক্রান্ত না হন। কারখানা, অফিস এবং শো-রুমে কঠোরভাবে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা শুরু হয়। কোম্পানি আবেদন জানিয়েছে, গাড়ি বুক করার জন্য ডিজিট্যাল চ্যানেল ব্যবহার করুন। মারুতির যে শো-রুমগুলি কনটেনমেন্ট জোনের মধ্যে পড়েছে, সেগুলি বন্ধ আছে। সেখানে বিধিনিষেধ শিথিল হলেই খোলা হবে।
অতিমহামারীর ফলে অর্থনীতির যে ক্ষেত্রগুলি সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের অন্যতম গাড়ি শিল্প। মহামারীর আগেই ওই শিল্প সংকটে পড়েছিল। মহামারী শুরু হওয়ার পরে গাড়ি উৎপাদনকারী সব কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। অনেকেই আশঙ্কা করেন, গাড়ি শিল্পে বিপুল সংখ্যক লোক ছাঁটাই আসন্ন।
করোনা অতিমহামারীর প্রেক্ষিতে অবশ্য গাড়ি শিল্পে উন্নতির আশাও করছেন অনেকে। তাঁদের বক্তব্য, এখনও দীর্ঘদিন করোনাকে নিয়েই চলতে হবে আমাদের। এই পরিস্থিতিতে রাস্তায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য অনেকে টু হুইলার বা ফোর হুইলার কিনতে আগ্রহী হবেন।