
শেষ আপডেট: 23 May 2023 02:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: একের পর এক বাজি (firecrackers) কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটছে। এগরার পরে বজবজে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার রাতের ঘটনার পর রাত থেকেই ব্যাপক ধরপাকড় শুরু হয়েছে এলাকায়। এর মধ্যেই সোমবার নদিয়ার কৃষ্ণনগর কোতয়ালি থানার কালিনগর এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার হয়েছে।
সূত্রের খবর, কৃষ্ণনগর কোতয়ালি থানার কালিনগর এলাকার সাহা স্টোর নামে একটি গুদামে তল্লাশি চালিয়েছিল পুলিশ। আর সেখান থেকেই প্রায় ২৫ টি বাজি ভর্তি পেটি উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, প্রায় ২৫০ কেজি বাজি ছিল পেটিগুলিতে। সবটাই নিষিদ্ধ বাজি বলে জানা গেছে। ওই গুদামটি স্থানীয় উত্তম কুমার সাহার বলে জানতে পেরেছে পুলিশ।
উদ্ধার হওয়া বাজিগুলো জল ঢেলে নিষ্ক্রিয় করে পুলিশ। ওই গুদামের মালিকের এখনও খোঁজ মেলেনি। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছে সে। যদিও উত্তমের খোঁজে বিভিন্ন জায়গাতে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। গত কয়েকদিন আগেই প্রবল বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে এগরা। যেখানে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
শববাহী গাড়ি না থাকলে বডি ছাড়া যাবে না, হাসপাতালগুলিকে কড়া নির্দেশ স্বাস্থ্য দফতরের
বজবজের ঘটনাতেও তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নতুন করে এনআইএ তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছে বিরোধীরা। সোমবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে আতশবাজি নিয়ে ক্লাস্টার গড়তে এক উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এই নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করেন। মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে এই কমিটিতে রয়েছেন অর্থ, দমকল, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প, পরিবেশ ও পুর নগরোন্নয়ন সচিব। এই কমিটি আগামী ২ মাসের মধ্যে রাজ্য সরকারকে একটি রিপোর্ট দেবে। তার ভিত্তিতে ক্লাস্টার গড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।