Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অপরিচিতকেও চিনিয়ে দেবে মেটার ‘স্মার্ট গ্লাস’! অপরাধ বাড়তে পারে, বিপদ দেখছে মানবাধিকার সংগঠনগুলিপ্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল?

মেয়ের বিয়ের জন্য নেওয়া ঋণের চাপে আত্মঘাতী মা

দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা:  মেয়ের বিয়ের জন্য ঋণ নিয়েছিলেন। কিন্তু পরিশোধের জন্য মাসিক কিস্তির টাকা জোগাড় করতে না পেরে এক মহিলা আত্মঘাতী হয়েছেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমেছে হাবড়া থানার রাজবল্লভপুরে। পরিবার সুত্রে জানা গেছে,

মেয়ের বিয়ের জন্য নেওয়া ঋণের চাপে আত্মঘাতী মা

শেষ আপডেট: 4 January 2020 08:07

দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা:  মেয়ের বিয়ের জন্য ঋণ নিয়েছিলেন। কিন্তু পরিশোধের জন্য মাসিক কিস্তির টাকা জোগাড় করতে না পেরে এক মহিলা আত্মঘাতী হয়েছেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমেছে হাবড়া থানার রাজবল্লভপুরে। পরিবার সুত্রে জানা গেছে, আট মাস আগে এক মাত্র মেয়ের বিয়ের জন্য বেসরকারি একটি সংস্থার থেকে এক লক্ষ টাকা ঋণ নেন মনিকা দাস (৩৬)। প্রতি মাসে আট হাজার টাকা করে শোধ করতে হবে, চুক্তি ছিল এমনটাই। কয়েক কিস্তির টাকা শোধও করেন তিনি। তাঁর স্বামী কমল দাস কলকাতায় সেলাইয়ের কাজ করে সামান্য কিছু টাকা উপার্জন করেন। সেই টাকাই ভরসা। শনিবার সকালেই কিস্তির আট হাজার টাকা জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই টাকা জোগাড় করতে না পেরে দু'দিন ধরেই চিন্তায় ছিলেন মনিকা। কমলবাবু জানান, শুক্রবার রাতে খাওয়া দাওয়া করে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন তাঁরা। রাত তিনটে নাগাদ ঘুম ভাঙতে দেখেন স্ত্রী পাশে নেই। স্ত্রীর নাম ধরে ডেকে সারা না মেলায় বিছানা ছেড়ে পাশের ঘরে যান। সেখানে একটি লোহার রডের সঙ্গে ওড়নার ফাঁস লাগিয়ে ঝুলতে দেখেন স্ত্রীকে। কমলবাবুর ডাকে জেগে যান পরিবারের অন্য সদস্যরা। ছুটে আসেন পড়শিরাও। তড়িঘড়ি মনিকাকে নামিয়ে হাবড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ডাক্তাররা মৃত বলে ঘোষণা করেন তাঁকে। সময়ে কিস্তির টাকা পরিশোধ করা নিয়ে মনিকা খুবই মানসিক অশান্তিতে ছিলেন বলে জানিয়েছেন কমলবাবু। তিনি বলেন, “আমাদের যা আয়, তাতে পেট চালানোর পর মাসে মাসে আট হাজার টাকা শোধ করা খুবই চাপের। তাও মেয়ের বিয়ের জন্য সেই চাপ নিয়েছিলেন আমার স্ত্রী। কিন্তু পারলেন না, হেরে গেলেন।” গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

```