Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
প্রকাশিত সিবিএসই দশম শ্রেণির ফলাফল! পাশের হারে ছেলেদের টেক্কা মেয়েদের, শীর্ষে কোন শহর? নববর্ষে পারিবারিক সেলিব্রেশন, তার মাঝেই ইন্ডাস্ট্রির উন্নতির প্রার্থনা অপরাজিতারনববর্ষে রাজ্যপালের মুখে ‘পরিবর্তনের’ ডাক! ‘লাটসাহেব’কে নিয়ে ছেড়ে কথা বললেন না মমতাওস্যালাড খেলেই সুস্বাস্থ্য নয়! ভুলেও কাঁচা খাবেন না এই ৩ সবজি, কারণ জানুনইরানকে কি অস্ত্র দিচ্ছে চিন? শি জিনপিংয়ের চিঠির পর জল্পনা ওড়ালেন ট্রাম্প'দেশু ৭'-এ অনির্বাণ, এবার ‘বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা’য় কোন নায়কের এন্ট্রিতে চমক?এখনই সুরাহা নেই, রান্নার গ্যাসের আকাল চলতে পারে আরও ৪ বছর! দুশ্চিন্তা বাড়বে ভারতের আমজনতার: সূত্রলোকসভার আসন বেড়ে হচ্ছে ৮৫০, কতটা লাভ বাংলার? সবচেয়ে বেশি ও কম সিট বাড়ছে কোন রাজ্যে?নববর্ষে কলকাতা সফরে আইওসি-র শীর্ষ কর্তা, এলপিজির বাস্তব পরিস্থিতি দেখতে হাজির গ্যাসের দোকানেও৮ হাজার লিটার গঙ্গাজল, গরু আর রুপোর কলসী! ফিরে দেখা জয়পুরের মহারাজার আজব লন্ডন-সফর

লকডাউনে নেই শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, জটিল অস্ত্রোপচারে সদ্যোজাতের প্রাণ বাঁচালেন সেনা ডাক্তাররা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাসপাতাল অনেক দূর। এতটা পথের ধকল সইতে পারবে না সদ্যোজাত। বিরল রোগ বাসা বেঁধেছে শরীরে। ক্রমশই শিথিল হয়ে যাচ্ছে হাত-পা, গতি কমছে শ্বাসের। লকডাউনে পাওয়া যায়নি কোনও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞকেও। এমন পরিস্থিতিতে এগিয়ে এলেন সেনা ডাক্তাররা

লকডাউনে নেই শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, জটিল অস্ত্রোপচারে সদ্যোজাতের প্রাণ বাঁচালেন সেনা ডাক্তাররা

শেষ আপডেট: 24 April 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাসপাতাল অনেক দূর। এতটা পথের ধকল সইতে পারবে না সদ্যোজাত। বিরল রোগ বাসা বেঁধেছে শরীরে। ক্রমশই শিথিল হয়ে যাচ্ছে হাত-পা, গতি কমছে শ্বাসের। লকডাউনে পাওয়া যায়নি কোনও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞকেও। এমন পরিস্থিতিতে এগিয়ে এলেন সেনা ডাক্তাররা। জটিল অস্ত্রোপচারে সদ্যোজাতের প্রাণ বাঁচালেন পাঠানকোটের ওয়েস্টার্ন কম্যান্ডের সেনা ডাক্তাররা। কুর্নিশ জানাল গোটা দেশ। জন্মের পরেই অন্ত্রের বিরল রোগে আক্রান্ত হয়েছিল শিশুটি। পাঠানকোটেরই একটি হাসপাতালে ভেন্টিলেটরে রাখা হয়েছিল তাকে। গতকাল থেকেই শারীরিক অবস্থার অবনতি হয় শিশুটির। সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে, যে হাসরাতালে শিশুটিকে রাখা হয়েছিল সেখানে অস্ত্রোপচারের তেমন উন্নত পরিকাঠামো নেই। অথচ শিশুটি এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছিল যে তাকে অন্য হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতিও ছিল না। শিশুটির পরিবার জানিয়েছে, লকডাউনের কারণে বেশিরভাগ প্রাইভেট ক্লিনিকই বন্ধ ছিল। সরকারি হাসপাতালেও কোনও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ পাওয়া যায়নি। পাঠানকোটের চণ্ডীমন্দিরে ওয়েস্টার্ন কম্যান্ডের সেনা হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তাঁরা। খবর পেয়েই সেনা ডাক্তারের একটি দল ওই হাসপাতালে চলে আসেন। তাঁরাই অস্ত্রোপচারের যাবতীয় ব্যবস্থা করেন। সেনা হাসপাতালের সার্জিক্যাল স্পেশালিস্ট মেজর আদিল আবদুল কালাম বলেছেন, শিশুটিকে সেনা হাসপাতালে নিয়ে যেতে হলে গাড়িতে ছ’ঘণ্টা সময় লাগত। এতটা জার্নি করা বাচ্চাটার পক্ষে সহজ ছিল না। পরীক্ষা করে দেখা যায় জন্মের পর থেকেই শিশুটি অন্ত্রের বিরল রোগে আক্রান্ত হয়েছিল। অস্ত্রোপচারে সামান্য দেরি হলে শরীরের নানা অঙ্গ বিকল হয়ে মৃত্যু হতে পারত। মেজর আদিল বলেছেন, “এমন রোগের সার্জারি শিশুরোগ বিশেষজ্ঞরাই করেন। তার জন্য বিশেষ পরিকাঠামোও দরকার পড়ে। কিন্তু সেসব কিছুই ছিল না। কোনও সার্জন, অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট বা নিওন্যাটোলজিস্ট ছাড়াই জটিল অস্ত্রোপচার করেন সেনা ডাক্তাররা। প্রাণ বাঁচানো হয় শিশুটির।” পিআরও লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবেন্দ্র আনন্দ বলেছেন, শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে কয়েক মিনিটের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নেন ডাক্তাররা। সামান্য দেরিও বড় বিপদ ডেকে আনতে পারত। চটপট ঠিক হয়ে যায় মেডিক্যাল প্রোটোকল। কয়েক ঘণ্টার জটিল অস্ত্রোপচারে সাফল্য মেলে। শিশুটির অবস্থা অনেক স্থিতিশীল। ভেন্টিলেটর সাপোর্ট দেওয়ারও আর প্রয়োজন নেই।

```