দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভালবাসার বিয়ে। তাতে জাত-পাত বা ধর্মের বাধা হয়নি। মুসলিম প্রেমিকাকে শিখ ধর্মমতেই বিয়ে করেছিলেন যুবক। কিন্তু সমস্যা তৈরি হয় বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই। যুবকের অভিযোগ, জোর করে তাঁকে ও তাঁর পরিবারের লোকজনকে মুসলিম ধর্মে ধর্মান্তরিত করার জন্য চাপ দিচ্ছেন তাঁর স্ত্রী। তাঁদের ৯ বছরের ছেলেকেও ধর্মান্তরিত করার প্রয়াস চলছে। স্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন তিনি।
ঘটনা চণ্ডীগড়ের। ৩৬ বছরের ওই যুবক পিটিশন দাখিল করেছেন চণ্ডীগড়ের জেলা আদালতে। সেই পিটিশনে তিনি লিখেছেন, তাঁকে, তার শিশুপুত্রকে ও পরিবারের লোকজনকে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। জোর করে ধর্মান্তরণে বাধ্য করছে তাঁর মুসলিম স্ত্রী ও স্ত্রীয়ের পরিবারের লোকজন। বিচারক রাসভিন কৌরের (জুনিয়র ডিভিশন) অধীনে এই মামলার শুনানি শুরু হয়েছে। পরবর্তী দিন ধার্য হয়েছে ২০ জুলাই।
যুবকরে আইনজীবী দিক্ষীত অরোরা পিটিশনে জানিয়েছেন, ২০০৮ সালে মেয়েটির সঙ্গে আলাপ তাঁর মক্কেলের। চণ্ডীগড়ের একটি স্টোরে সেলস ম্যানেজার ছিলেন যুবক। মেয়েটি মুসলিম। তিনিও ওই স্টোরেই কাজ করতেন। সেখান থেকেই আলাপ ও প্রেম। দুই পরিবারের আপত্তি থাকলেও বিয়েটা হয়। যুবক বলেছেন, শিখ ধর্মমতেই মেয়েটিকে বিয়ে করেন তিনি। কিন্তু বিয়ের কিছুদিন পরেই মেয়েটির পরিবার অশান্তি শুরু করে। তাঁদের পরিবারকে ধর্মান্তরণের জন্য ক্রমাগত চাপ দিতে থাকে। অশান্তি চরমে পৌঁছলে চাকরি ছেড়ে অমৃতসরে পরিবার নিয়ে চলে যান যুবক।
২০১২ সালে তাঁদের সন্তান আসে। যুবকের অভিযোগ, ছেলের জন্মের পেরই তাঁর স্ত্রী শিশুপুত্রকেও ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা করেছিল। এখনও সেই প্রয়াস চলছে। দুই পরিবারের ঝামেলা এমন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে যে নিজের পরিবারকে ধর্মান্তরণের হাত থেকে বাঁচাতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।