আজাদপুর মান্ডিতে পর্যবেক্ষণে আসা ডাক্তারদের হাততালি দিয়ে অভ্যর্থনা, ভিডিও টুইট কেজরিওয়ালের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা আক্রান্ত এক ব্যবসায়ীর মৃত্যুর পরে দিল্লির আজাদপুর মান্ডিতে ৩০০ দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দাবি করা হয়েছিল, ডাক্তাররা যেন সেখানে পর্যবেক্ষণে আসেন। ভাল করে পুরো এলাকা পর্যবেক্ষণ করার দাবি তুলেছিলেন ব্যবসায়ীরা। সেইমতো ড
শেষ আপডেট: 24 April 2020 15:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা আক্রান্ত এক ব্যবসায়ীর মৃত্যুর পরে দিল্লির আজাদপুর মান্ডিতে ৩০০ দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দাবি করা হয়েছিল, ডাক্তাররা যেন সেখানে পর্যবেক্ষণে আসেন। ভাল করে পুরো এলাকা পর্যবেক্ষণ করার দাবি তুলেছিলেন ব্যবসায়ীরা। সেইমতো ডাক্তারদের একটা দল পৌঁছয় সেখানে। আর সেই ডাক্তারদের হাততালি দিয়ে অভ্যর্থনা করলেন ব্যবসায়ী ও অন্যান্য কর্মচারীরা।
এই ঘটনার ভিডিও শেয়ার করেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ডাক্তাররা এক জায়গায় বসে কাজ করছেন। হঠাৎই সেখানে উপস্থিত ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা হাততালি দেওয়া শুরু করলেন। তাঁদের দেখে উঠে দাঁড়ালেন ডাক্তাররা। সেই অভিবাদন গ্রহণ করলেন তাঁরা।
ভিডিও টুইট করে কেজরিওয়াল লিখেছেন, “আজ পুরো সমাজ আমাদের করোনা যোদ্ধাদের সম্মান জানাচ্ছে। ডাক্তার, নার্স ও মেডিক্যাল পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত সব কর্মীদের সেলাম জানাই।”
https://twitter.com/ArvindKejriwal/status/1253639371816927232?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1253639371816927232&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.ndtv.com%2Fdelhi-news%2Fcoronavirus-update-claps-cheers-for-healthcare-heroes-in-delhis-azadpur-mandi-2217779
গত বুধবার করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় এক ব্যবসায়ীর। গত সোমবার কোভিড ১৯ পজিটিভ আসে ৫৭ বছর বয়সী ওই ব্যবসায়ীর। ১৪ এপ্রিল তাঁর শরীর থেকে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। ওই ব্যবসায়ীর মৃত্যুর পরে তাঁর সংস্পর্শে আসা ১৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তার মধ্যে ১৬ জন দোকানের কর্মচারী ও একজন তাঁর ভাইপো বলে জানা গিয়েছে।
ওই ব্যবসায়ীর মৃত্যুর পরে বুধবার আরও দুই ব্যবসায়ীর শরীরে কোভিড ১৯ সংক্রমণ ধরা পড়ে। তারপরেই এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেন ব্যবসায়ীরা। তাঁরা অভিযোগ করেন, ১০০ একরের উপর ছড়িয়ে থাকা এই বাজারে ঠিকমতো টেস্ট করছে না দিল্লি সরকার। যতদিন না পর্যাপ্ত টেস্টিং ও অন্যান্য ব্যবস্থা না নেওয়া হচ্ছে ততদিন তাঁরা দোকান খুলবেন না।
দিল্লিতে করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর পরে আজাদপুর মান্ডি প্রশাসনের পক্ষে খুবই চিন্তার বিষয়। এই মান্ডিতে ২৮০০ দোকান রয়েছে। সেখানে হাজারের বেশি কর্মী কাজ করেন। এই বাজারে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ আসেন কেনাকাটা করতে।
উত্তর দিল্লির জেলাশাসক দীপক শিন্ডে জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে আরও কেউ সংস্পর্শে এসেছিলেন কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
করোনা সংক্রমণের মধ্যেও ব্যবসা যাতে বন্ধ না হয় ও অর্থনীতি চলতে থাকে, তার জন্য আজাদপুর মান্ডি চালু রেখেছিল দিল্লি সরকার। তবে একটা সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকবে। রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত সেখানে সবজি ও ফল ডেলিভারি করার জন্য ট্রাক আসতে পারবে। বাজারে একসঙ্গে ১০০০ জনকে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। প্রত্যেককে বাজারের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এই বাজার পরিষ্কার রাখার জন্য ৬০০ কর্মী ও সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকছে কিনা তা দেখার জন্য ৯০০ সিভিল ডিফেন্স ভলান্টিয়ার নিযুক্ত করেছিল দিল্লি দরকার।