Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অপরিচিতকেও চিনিয়ে দেবে মেটার ‘স্মার্ট গ্লাস’! অপরাধ বাড়তে পারে, বিপদ দেখছে মানবাধিকার সংগঠনগুলিপ্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল?

সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরদারিতে এক্তিয়ার আছে কেন্দ্রের! সিদ্ধান্ত নতুন বছরের শুরুতেই

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফেসবুক ব্যবহারকারীদের করা পোস্টের দায় কি ফেসবুক কর্তৃপক্ষের? সরকারের কি জানার অধিকার আছে একজন নাগরিক কাউকে কী মেসেজ করছেন? এই সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে নতুন বছরের শুরুতেই। ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি আইনে বদল

সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরদারিতে এক্তিয়ার আছে কেন্দ্রের! সিদ্ধান্ত নতুন বছরের শুরুতেই

শেষ আপডেট: 28 December 2019 05:51

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফেসবুক ব্যবহারকারীদের করা পোস্টের দায় কি ফেসবুক কর্তৃপক্ষের? সরকারের কি জানার অধিকার আছে একজন নাগরিক কাউকে কী মেসেজ করছেন? এই সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে নতুন বছরের শুরুতেই। ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি আইনে বদল আসছে। এই বদলের পরেই বোঝা যাবে, কী হতে চলেছে সোশ্যাল মিডিয়ার ভবিষ্যৎ। গত এক বছর ধরে এই বিষয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। বিরোধী দলগুলি প্রশ্ন তুলেছে, কোন এক্তিয়ারে মানুষের ব্যক্তিগত কথাবার্তা, তথ্যের উপর নজরদারি চালাচ্ছে কেন্দ্রের মোদী সরকার। নভেম্বর মাসে জানা যায় ইজরায়েলি পেগাসাস ম্যালওয়্যার ব্যবহার করে মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হচ্ছে। অভিযোগ ওঠে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। এই বিষয়ে নরেন্দ্র মোদী পরিষ্কার জানিয়ে দেন, আইন অনুযায়ী মানুষের স্বার্থেই সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের উপর নজরদারি চলছে। এর পরেই বিক্ষোভ দেখানো শুরু হয় বিভিন্ন মহল থেকে। ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকারে হস্তক্ষেপ করে সংবিধান মানা হচ্ছে না বলে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। অবশ্য তথ্যপ্রযুক্তির বিষয়ে এটাই একমাত্র ইস্যু নয়। তাই জানুয়ারি মাসের সংশোধনীর মাধ্যমে বেশ কিছু বিষয় পরিষ্কার হয়ে যাবে সবার সামনে, এমনটাই ধারনা করা যাচ্ছে। এখন প্রশ্ন হল জানুয়ারি মাসে যে সংশোধনী হবে তাতে কি শুধুমাত্র মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে আলোচনা হবে। কিন্তু মানুষ যেসব সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে যেমন ফেসবুক, টুইটার, কিংবা যেসব সার্ভার বা সাইবার ক্যাফের মাধ্যমে এই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করা হয়, তার উপরও কি প্রভাব পড়তে চলেছে এই সংশোধনীতে। সাধারণর কোনও অ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা যদি ৫০ লক্ষের বেশি হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট দেশে সেই সংস্থাকে অফিস খুলতে হয়। কিন্তু যাঁরা সেইসব সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের অ্যাকাউন্ট খুলছেন তাঁরা কি প্রত্যেকেই প্রতিনিয়ত সেই অ্যাপ ব্যবহার করেন। এমন অনেকেই আছেন, যাঁরা অ্যাকাউন্ট খুলেছেন, কিন্তু তার ব্যবহারই হয় না। সেইসব অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে? আরও একটা বিষয় হল কী ভাবে সরকারের পক্ষে জানা সম্ভব, একজন মানুষ কতগুলি অ্যাপলিকেশন ব্যবহার করছেন। কারণ, কোনও অ্যাপলিকেশন লঞ্চ করতে হলে সরকারের অনুমতির প্রয়োজন হয় না। প্লে-স্টোর থেকে ইচ্ছে করলেই তা ডাউনলোড করে নেওয়া সম্ভব। তাহলে কোনও অ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫০ লক্ষ ছাড়াল কিনা সেটাও সরকারের পক্ষে জানা সম্ভব নয়। এই সমস্যার সমাধান কী ভাবে হবে? অর্থাৎ ১৫ জানুয়ারি যে সংশোধনী আনা হবে তাতে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত তথ্য বা কথাবার্তার উপর নজরদারিই নয়, একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। এখন দেখার সেদিন ঠিক কী কী বিষয়ে সংশোধনী আনা হয় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে।

```