দ্য ওয়াল ব্যুরো: নোভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হলে রোগীর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য দেশের ১২টি বেসরকারি গবেষণাগারকে অনুমতি দিল কেন্দ্রীয় সরকার। ভারতের পাঁচটি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে রয়েছে এই গবেষণাগারগুলি। এতদিন পর্যন্ত কেবল পুণের নাইসেডেই এইসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা হত। এবার থেকে হবে এই বেসরকারি গবেষণাগারেও।
ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ বা আইসিএমআর-এর অনুমোদন প্রাপ্ত এই বেসরকারি গবেষণাগারের পাঁচটি রয়েছে মহারাষ্ট্রে। প্রসঙ্গত, ভারতের করোনা আক্রান্ত রাজ্যগুলির মধ্যে কেরলের পরেই রয়েছে মহারাষ্ট্র। প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা। ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্রে কোভিড ১৯ সংক্রমণে মৃত্যুও হয়েছে তিনজনের। যাঁদের মধ্যে রয়েছেন একজন ফিলিপিন্সের নাগরিক।
মহারাষ্ট্র ছাড়া হরিয়ানা এবং তামিলনাড়ুতে রয়েছে দুটি গবেষণাগার। দিল্লি-গুজরাত এবং কর্নাটকে রয়েছে একটি করে গবেষণাগার। এই দিল্লি-গুজরাত এবং কর্নাটক, তিন রাজ্যেই করোনাভাইরাসের সংক্রমণে একজন করে মারা গিয়েছেন। কোভিড ১৯-এর সংক্রমণে কর্নাটকেই প্রথম মৃত্যু হয়েছিল। মৃতের মেয়ে এবং চিকিৎসকের শরীরেও সংক্রমণ পাওয়া গিয়েছে বলে খবর।
তবে পশ্চিমবঙ্গে এখনও কোনও বেসরকারি গবেষণাগারকে কোভিড ১৯ সংক্রমণের পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য অনুমোদন দেয়নি আইসিএমআর। সূত্রের খবর, গত সপ্তাহে সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকেও এই প্রসঙ্গের উত্থাপন করেছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে মমতার বারবার আবেদন সত্ত্বেও এখনও পশ্চিমবঙ্গের কোনও গবেষণাগারকে এই পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া হয়নি বলেই খবর। কিন্তু দেশের একডজন বেসরকারি গবেষণাগারকে কেন্দ্র অনুমতি দেওয়ায় আশাবাদী বাংলাও।
এক নজরে দেখে নেওয়া যাক এই ১২টি বেসরকারি গবেষণাগার-
১। দিল্লি- লাল প্যাথ ল্যাবস
২। গুজরাত- ইউনিপ্যাথ স্পেশ্যালিটি ল্যাবরেটরি লিমিটেড
৩। হরিয়ানা- স্ট্যান্ডার্ড লাইফ সায়েন্সেস এবং এসআরএল লিমিটেড
৪। কর্নাটক- নেবুবার্গ আনন্দ রেফারেন্স ল্যাবরেটরি
৫। মহারাষ্ট্র- থারোকেয়ার টেকনোলজিস, সাব-আর্বান ডায়গনস্টিকস (ইন্ডিয়া) প্রাইভেট লিমিটেড, মেট্রোপলিস হেলথ কেয়ার লিমিটেড, শ্রী এইচ এন রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার, এসআরএল লিমিটেড
৬। তামিলনাড়ু- ডিপার্টমেন্ট অফ ক্লিনিকাল ভাইরোলজি, ডিপার্টমেন্ট অফ ল্যাবরেটরি সার্ভিসেস।