Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অপরিচিতকেও চিনিয়ে দেবে মেটার ‘স্মার্ট গ্লাস’! অপরাধ বাড়তে পারে, বিপদ দেখছে মানবাধিকার সংগঠনগুলিপ্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল?

করোনা সন্দেহে দিল্লির সফরজং হাসপাতালে আত্মঘাতী হয়েছিলেন যুবক, রিপোর্ট এল নেগেটিভ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা আক্রান্ত সন্দেহে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল সিডনি ফেরত এক যুবককে। কিন্তু ভর্তির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হাসপাতালে আটতলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হন ওই যুবক। অবশেষে হাতে এসেছে তাঁর রিপোর্ট। এবং সেই রিপোর্ট এসে

করোনা সন্দেহে দিল্লির সফরজং হাসপাতালে আত্মঘাতী হয়েছিলেন যুবক, রিপোর্ট এল নেগেটিভ

শেষ আপডেট: 27 March 2020 06:33

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা আক্রান্ত সন্দেহে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল সিডনি ফেরত এক যুবককে। কিন্তু ভর্তির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হাসপাতালে আটতলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হন ওই যুবক। অবশেষে হাতে এসেছে তাঁর রিপোর্ট। এবং সেই রিপোর্ট এসেছে নেগেটিভ। অর্থাৎ ওই যুবক কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হননি। গত ১৮ মার্চ সিডনি থেকে দিল্লি ফিরেছিলেন ওই যুবক। এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে ইন্দিরা গান্দী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার পর থার্মাল স্ক্রিনিং হয় তাঁর। যুবক জানান যে তাঁর মাথায় ব্যথা করছে। এরপরেই সটান বিমানবন্দর থেকে সফদরজং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। রাত ৯টা নাগাদ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় যুবককে। তার খানিকক্ষণের মধ্যেই আত্মঘাতী হন ওই যুবক। হাসপাতালের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে আত্মঘাতী যুবকের পরিবার। বছর ২৩-এর ওই যুবকের পরিবার জানিয়েছে গত একবছর ধরে সিডনির বাসিন্দা ছিলেন তিনি। আদতে তিনি পাঞ্জাবের বাসিন্দা। ঘটনার দিন খবর পেয়ে তারা সফদরজং হাসপাতালে পৌঁছন। তবে ছেলে ব্যাপারে জিজ্ঞেস করায় কেউ কিছু বলতেই চায়নি। এরপর ওই হাসপাতালেরই এক কর্মী যুবকের পরিবারকে জানান যে সম্ভবত তাঁকে রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সফদরজং হাসপাতাল থেকে এবার রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে পৌঁছয় যুবকের পরিবার। কিন্তু লাভ হয়নি কিছুই। ছেলের ব্যাপারে কোনও তথ্যই না পেয়ে ফের সফদরজং হাসপাতালেই ফিরে আসে যুবকের পরিবার। এরপরেই জানতে পারেন ছেলের মর্মান্তিক পরিণতির কথা

```