অপহৃত হইনি, ভালবাসার টানে এসেছি আবুধাবিতে, গ্রহণ করেছি ইসলাম, মুখ খুললেন কেরলের তরুণী
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাবা-মা পুলিশের কাছে গিয়ে নিখোঁজ ডায়েরি করেছিলেন। কেরলের কোঝিকোড় পুলিশকে জানিয়েছিলেন, তাঁদের ১৯ বছরের মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে। আবুধাবিতে কোনও সন্ত্রাসবাদী সংগঠনে জোর করে যোগ দেওয়ানো হয়েছে। এ নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই কেরলের সংবা
শেষ আপডেট: 30 September 2019 07:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাবা-মা পুলিশের কাছে গিয়ে নিখোঁজ ডায়েরি করেছিলেন। কেরলের কোঝিকোড় পুলিশকে জানিয়েছিলেন, তাঁদের ১৯ বছরের মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে। আবুধাবিতে কোনও সন্ত্রাসবাদী সংগঠনে জোর করে যোগ দেওয়ানো হয়েছে। এ নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই কেরলের সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ পেয়েছে। কিন্তু খ্রিস্টান তরুণী সিয়ানি বেনি রবিবার গালফ নিউজকে জানালেন, কেউ জোর করেনি। তিনি স্বেচ্ছায় আবুধাবি গিয়েছেন। ভালবাসার ডাকে সাড়া দিয়ে গিয়েছেন এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন।
ধর্মান্তরিত হওয়ার পর এখন সিয়ানির নাম হয়েছে আইশা। তিনি স্পষ্ট বলেছেন, “আমি ভারতের একজন প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক। আমার যেখানে ইচ্ছে যেতে পারি। আমি যা করেছি স্বেচ্ছায় করেছি। ভালবাসার টানে করেছি। এর মধ্যে জোর জবরদস্তির ছিটেফোঁটাও নেই।”

দিল্লির জেসাস অ্যান্ড মেরি কলেজের স্নাতকের ছাত্রী সিয়ানি ওরফে আইশা। জানা গিয়েছে ১৮ সেপ্টেম্বরের পর আর তিনি কলেজে যাননি। ওই দিন বিকেলের বিমানেই আবুধাবি উড়ে যান। ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে ন’মাস আগেই বিয়ে সেরেছিলেন কেরলের এই তরুণী। তারপর ২৪ সেপ্টেম্বর আবুধাবির আদালতে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।
তিনি গোটা বিষয়টি খোলসা করার পর গালফ নিউজকে এও বলেছেন, “আমি ভারত সরকারের কাছে অনুরোধ করব, যারা আমার সম্পর্কে ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে যেন আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।” স্পষ্ট বোঝাই যাচ্ছে, বাবা-মায়ের দিকে অভিযোগের আঙুল। একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের দাবি, গত দেড় বছর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় সিয়ানির সঙ্গে পরিচয় হয় আবুধাবির ওই ব্যবসায়ীর। সেখান থেকেই প্রেম এবং এই পর্যন্ত। বাড়িতে জানাজানি হওয়ার পর বাবা-মা মেনে তো নেনইনি উল্টে দিল্লি থেকে কেরলে ফিরিয়ে নিতে চেয়েছিলেন মেয়েকে। ওই সংবাদমাধ্যমের দাবি, ২০১৮-র ক্রিসমাসের পর আর বাড়ি যাননি এই তরুণী।