Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অপরিচিতকেও চিনিয়ে দেবে মেটার ‘স্মার্ট গ্লাস’! অপরাধ বাড়তে পারে, বিপদ দেখছে মানবাধিকার সংগঠনগুলিপ্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল?

দীপাবলির আগেই ভয়াবহ দূষণে শ্বাসরুদ্ধ দিল্লির, সতর্ক করছেন চিকিৎসকেরা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দীপাবলি এখনও দুদিন দূরে। আতসবাজি পোড়েনি। তবুও মাত্রাছাড়া বায়ুদূষণে নাকাল রাজধানী দিল্লি। সোমবার সকালে দিল্লিবাসীর ঘুম ভেঙেছে যখন তখন থেকেই ঘন ধোঁয়াশায় শহর ঢাকা। বায়ুর সবচেয়ে বিপজ্জনক দূযণকারী পদার্থ পার্টিকুলেট ম্যাটার বা

দীপাবলির আগেই ভয়াবহ দূষণে শ্বাসরুদ্ধ দিল্লির, সতর্ক করছেন চিকিৎসকেরা

শেষ আপডেট: 5 November 2018 09:31

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দীপাবলি এখনও দুদিন দূরে। আতসবাজি পোড়েনি। তবুও মাত্রাছাড়া বায়ুদূষণে নাকাল রাজধানী দিল্লি। সোমবার সকালে দিল্লিবাসীর ঘুম ভেঙেছে যখন তখন থেকেই ঘন ধোঁয়াশায় শহর ঢাকা। বায়ুর সবচেয়ে বিপজ্জনক দূযণকারী পদার্থ পার্টিকুলেট ম্যাটার বা সূক্ষ্ম কণা রয়েছে ৬৪৪, যা নিরাপদ মাত্রার প্রায় ২০ গুণ বেশি। বাতাসের যা মান তাতে একটি সদ্যোজাত শিশুর দিনে ২৫টি সিগারেট খাওয়ার মতো ক্ষতি হচ্ছে! বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আগেই বলেছে, দূষণজনিত ধোঁয়াশার কারণে প্রতি বছর ১০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়। প্রতি নভেম্বরে দিল্লির হাসপাতালগুলি শ্বাসকষ্টের রোগীতে ভরে যায়। ফুসফুসের অসুখ যাঁদের আছে, তাঁদের পক্ষে দিল্লির বাতাস মৃত্যুদণ্ড বললে বাড়িয়ে বলা হয় না। তাপমাত্রা যত কমতে থাকে, তত সূক্ষ্ম কণা-সহ অন্য দূযণ মাটির কাছাকাছি আটকে থাকে। উপরে বায়ুস্তরে ভেসে যেতে পারে না। ফলে শ্বাসপ্রশ্বাসের সঙ্গে সঙ্গে ফুসফুস ও রক্তপ্রবাহে মিশে যায় পার্টিকুলেট ম্যাটার। নভেম্বরে দিল্লির বায়ুদূষণ বাড়ে তার কারণ বাজি, গাড়ির ধোঁয়া, নির্মাণকাজের ধুলো আর আশপাশের এলাকায় ফসল কেটে নেওয়ার পর শুকনো খড় ইত্যাদি জ্বালানোর প্রবণতা। তার সঙ্গে কমতে থাকে তাপমাত্রা। ফলে শহরের বায়ুস্তরের একেবারে নীচের দিকে আটকে থাকে জমাট বাঁধা দূষণ। দিল্লির দূষণ এই সময় এমন অবস্থায় পৌঁছয় যে কোনও পরিমাপারী যন্ত্রে তাকে মাপা যায় না। এবং এই পরিস্থিতি চলতে থাকে প্রায় ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত। ফলে শ্বাসরোগ বা অ্যাজ়মা যাঁদের আছে, তাঁরা তো বটেই, বৃদ্ধ ও শিশুদের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। যে হেতু শিশুরা তাড়াতাড়ি শ্বাস নেয়, তাদের শ্বাস নেওয়ার হার বড়দের চেয়ে অনেকটাই বেশি। প্রতিবার শ্বাসের সঙ্গে তাদের দেহে প্রবেশ করে ভয়ানক সব দূষণকারী পদার্থ। দিল্লির বিশিষ্ট ফুসফুস বিশেষজ্ঞ অরবিন্দ কুমার জানিয়েছেন, যাঁরা সারাজীবন দিল্লিতে বসবাস করেছেন, এমন অনেক রোগীর ফুসফুস একেবারে কালো হয়ে গেছে। এমনকী কিশোরী-কিশোরীদের ফুসফুসেও কালো ছোপ পাওয়া যাচ্ছে। সামগ্রিক ভাবে দিল্লির বায়ুদূষণ নিয়ে রীতিমতো আবহবিদেরা।

```