
শেষ আপডেট: 15 January 2023 13:39
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পয়লা জানুয়ারি উদ্বোধন হয়েছিল নেপালের পোখরা বিমানবন্দরটি (Pokhara airport)। রবিবার সেই বিমানবন্দরেরই ঘটে গেল ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা (Nepal plane crash)। ইয়েতি এয়ারলাইন্সের ছোট্ট বিমানটি ৬৮ জন যাত্রী নিয়ে কাঠমাণ্ডু থেকে পোখরা আসছিল। কিন্তু রানওয়েতে নামার ১০ সেকেন্ড আগেই ভেঙে পড়ে বিমানটি। দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে, চারিদিক ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে।
এই বিমানবন্দরটি তৈরি করতে এগিয়ে এসেছিল চিন। পড়শি দেশের থেকে ধার নিয়েই এই পোখরা বিমানবন্দরটি তৈরি করে নেপাল সরকার। ২০১৬ সালে বিমানবন্দর তৈরির কাজ শুরু হয়। গতবছর কাজ শেষ হওয়ার পর চিনের বিদেশমন্ত্রী ইয়াং ই বিমানবন্দরটি নেপালের প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবার হাতে তুলে দেন।
চিনের এক্সিম ব্যাঙ্ক থেকে ২১৫ মিলিয়ন ডলার লোন নেয় নেপাল সরকার। বাকি ৯০ মিলিয়ন ডলার দেয় সরকার। চিনের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছিলেন, পোখরা বিমানবন্দরটি তৈরি হয়েছে চিনা ডিজাইন অনুযায়ী। উচ্চ মানের প্রযুক্তি ব্যবহার হয়েছে। নেপালে চিনের দূতাবাসের তরফে বলা হয়েছিল, 'এটি চিন-নেপাল বিআরআই কোঅপারেশনের একটি ফ্ল্যাগশিপ প্রজেক্ট। নেপালের সরকার ও নাগরিকদের উষ্ণ অভ্যর্থনা।'
সেই বিমানবন্দর উদ্বোধনের মাত্র ২ সপ্তাহের মধ্যে ঘটে গেল এত বড় দুর্ঘটনা। বিমানে ৫ ভারতীয়-সহ মোট ১৪ জন বিদেশি যাত্রী ছিলেন। বাকি যাত্রীরা সকলেই নেপালের বাসিন্দা। রবিবার সকাল ১০টা ৩৩ মিনিট নাগাদ বিমানটি ভেঙে পড়ে সেতি গণ্ডকি নদীর পাশে ঝোপের মধ্যে। এই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
৭২ জনই মৃত নেপালের বিমান দুর্ঘটনায়, অবতরণের ১০ সেকেন্ড আগে ভেঙে পড়ে রানওয়ের পাশে