Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অপরিচিতকেও চিনিয়ে দেবে মেটার ‘স্মার্ট গ্লাস’! অপরাধ বাড়তে পারে, বিপদ দেখছে মানবাধিকার সংগঠনগুলিপ্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল?

কামদুনি মামলার রায়ে হাহাকার, নতুন লড়াইয়ের শপথ টুম্পা-মৌসুমীদের

কামদুনি মামলার রায়ে হাহাকার, নতুন লড়াইয়ের শপথ টুম্পা-মৌসুমীদের

শেষ আপডেট: 6 October 2023 16:19

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবার এক দশক পর কামদুনি গণধর্ষণ এবং হত্যা মামলার রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট। কিন্তু উচ্চ আদালতের সেই রায়ে খুশি হতে পারেনি নির্যাতিতার জন্য লড়াই করে যাওয়া গ্রামবাসীরা। রায় ঘোষণার পরই এদিন আাদালত চত্বরে কান্নায় ভেঙে পড়েন কামদুনি আন্দোলনের প্রথম সারিতে থাকা মৌসুমী কয়াল, টুম্পা কয়ালরা। শীঘ্রই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা। 


২০১৩ সালে বারাসতের কামদুনিতে গণধর্ষণের ঘটনার পর কেটে গিয়েছে ১০ বছর। অবশেষে শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে নিষ্পত্তি হল সেই মামলার। ঘটনার আড়াই বছরের মাথায় ৬জন অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় ঘোষণা করেছিল কলকাতা নগর দায়রা আদালত। ৩ জনের ফাঁসির নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। বাকিদের আমৃত্যু কারাদণ্ডের রায় শুনিয়েছিল নিম্ন আদালতের বিচারক। কিন্তু অভিযুক্ত সইফুল আলি এবং আনসার আলির ফাঁসির সাজার বদলে আমৃত্যু কারাদণ্ড ঘোষণা করেছে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ। নিম্ন আদালতে আর এক ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত আমিন আলি বেকসুর খালাস পেয়েছেন হাইকোর্টে। একইসঙ্গে আমৃত্যু জেলের সাজাপ্রাপ্ত ইমানুল ইসলাম, আমিনুর ইসলাম এবং ভোলানাথ নস্করও ১০ বছর জেল খাটার কারণে খালাসের রায় শুনিয়েছে হাইকোর্ট। আর এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে যেতে চলেছে কামদুনিকাণ্ডের নির্যাতিতার পাশে থাকা গ্রামবাসীরা। 

প্রসঙ্গত, কামদুনিকাণ্ডের প্রতিবাদের অন্যতম মুখ হয়ে উঠেছিলেন ওই গ্রামেরই মৌসুমী, টুম্পা। রায় ঘোষণা হবে শুনে এদিন সকালেই কলকাতা হাইকোর্টে চলে আসেন তাঁরা। আশা ছিল, নিম্ন আদালতের রায়ই বহাল থাকবে হাইকোর্টেও। কিন্তু তা না হওয়ায় হতাশা হয়ে পড়েন পড়েন তাঁরা। কান্নায় ভেঙে পড়ে মৌসুমী জানান এই রায়ের জন্য দীর্ঘদিন লড়াই করেছেন তাঁরা। চিৎকার করে বলেন, ‘এরা সবাই টাকার কাছে বিক্রি হয়ে গেছে। আজ মেয়েটা বিচার পেল না। যারা দোষী তারা সাজা পেল না। আমরা এই রায় আশা করিনি। খুব তাড়াতাড়ি সুপ্রিম কোর্টে যাব। দরকারে রাষ্ট্রপতি কাছে দরবার করব।’ কাঁদতে কাঁদতে জ্ঞান হারান তিনি। 


মৌসুমীর সঙ্গেই এদিন আাদালতে এসেছিলেন টুম্পাও। কান্নায় ও ক্ষোভে ফেটে পড়েন তিনিও। বলেন, ‘আর ভয় পাচ্ছি না। আমি বুঝে গেছি, এই রাজ্যে বাঁচতে হলে আমাদের লড়াই করেই বাঁচতে হবে। একের পর এক কাণ্ডে মায়ের কোল খালি হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টে যাব, তাতে যদি আমার জীবনও চলে যায় তাহলে তাই যাক। যারা দোষী তাদের কেন ছেড়ে দেওয়া হল।‘  প্রয়োজনে দিল্লিতে নির্ভয়াকাণ্ডে নির্যাতিতার পক্ষের আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে বলেও জানান তাঁরা।


```