
শেষ আপডেট: 7 July 2018 12:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কী হবে যাদবপুরের ভবিষ্যৎ? ফিরিয়ে আনা হবে প্রবেশিকা পরীক্ষা? নাকি নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকবে ইসি? মেধাগত উৎকর্ষের শীর্ষে থাকা এই পাঁচ তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি সংক্রান্ত জটিলতা কাটবে কীভাবে সেই সিদ্ধান্ত নেবেন আচার্য তথা রাজ্যপাল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে রেজিস্ট্রার বলেন, ‘রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যর সঙ্গে গতকাল উপাচার্য দেখা করতে গিয়েছিলেন। উনি সামগ্রিক রিপোর্ট চেয়েছেন। শনিবারই সেই রিপোর্ট পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে আচার্য কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর কাছে।’
প্রসঙ্গত, ভর্তি সংক্রান্ত বিষয়ে ইসি’র সিদ্ধান্ত এবং তা নিয়ে ছাত্র আন্দোলনে যাদবপুর ক্যাম্পাসে অচলবস্থা তৈরি হয়েছে বেশ কয়েকদিন ধরে। এর মধ্যেই উপাচার্যকে ঘেরাও করে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে ছাত্র-ছাত্রীরা। উপাচার্য সুরঞ্জন দাস শুক্রবার বেলায় যান শিক্ষামন্ত্রীর বাড়িতে। সূত্রের খবর, শিক্ষামন্ত্রীর কাছে তিনি উপাচার্য পদ থেকে অব্যাহতি চান। বিকেলে রাজভবনে গিয়ে দেখা করেন আচার্য কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর সঙ্গে। জানা গিয়েছে, গোটা ঘটনায় ক্ষুব্ধ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ভিসি। আইন বিশেষজ্ঞ তথা আচার্যর দ্বারস্থ হয়েছেন সুরঞ্জন বাবু। ভর্তি সংক্রান্ত বিষয়ে সমস্ত ইসি মিটিং, সেই বৈঠকে অধ্যাপক, ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষাকর্মীদের বক্তব্য বিস্তারিত আকারে লিখে দীর্ঘ রিপোর্ট দিচ্ছেন কেশরীনাথ ত্রিপাঠীকে। উপাচার্য এখন চাইছেন আচার্যই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিক।
শুক্রবার এবং শনিবার ক্যাম্পাসে যাননি উপাচার্য। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর রাজ্যপাল যতক্ষণ না তাঁর মতামত জানাচ্ছেন ততদিন ক্যাম্পাসে আসবেন না সুরঞ্জন দাস। অন্যদিকে ছাত্রদের দাবি রবিবার বিকেলের মধ্যে ইসি মিটিং করতে হবে। যদিও তা কার্যত অসম্ভব বলেই বনে করছে শিক্ষামহলের একটা বড় অংশ। রাজ্যপাল মতামত জানালে সোমবার অথবা মঙ্গলবার জরুরি ভিত্তিতে ইসি মিটিং হতে পারে বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফে ছাত্রদের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে, যতক্ষণ না আচার্য মতামত জানাচ্ছেন ততক্ষণ আন্দোলন স্থগিত রাখুক তাঁরা। যদিও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে শনিবার বিকেল অবধি অনড় ছাত্র-ছাত্রীরাও।