Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অপরিচিতকেও চিনিয়ে দেবে মেটার ‘স্মার্ট গ্লাস’! অপরাধ বাড়তে পারে, বিপদ দেখছে মানবাধিকার সংগঠনগুলিপ্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল?

আইএস মডিউলে দিল্লির কলেজ- ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র, ওষুধ বিক্রেতা, ইমাম! মাস্টারমাইন্ড সোহেল নিজে মাদ্রাসার শিক্ষক

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছাত্র থেকে ঢালাই কর্মী, কে নেই আইএস মডিউলে! দিল্লি-উত্তরপ্রদেশ জুড়ে সক্রিয় ছিল নেটওয়ার্ক। এক-একজনের দায়িত্বে ছিল এক-একটি বিভাগ। রাজধানীর বুকে বড়সড় হামলার ছকে সামিল ছিল প্রত্যেকে। ভিতরে ভিতরে চলছিল প্রশিক্ষণ। সেই আইএস মডি

আইএস মডিউলে দিল্লির কলেজ- ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র, ওষুধ বিক্রেতা, ইমাম! মাস্টারমাইন্ড সোহেল নিজে মাদ্রাসার শিক্ষক

শেষ আপডেট: 27 December 2018 04:05

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছাত্র থেকে ঢালাই কর্মী, কে নেই আইএস মডিউলে! দিল্লি-উত্তরপ্রদেশ জুড়ে সক্রিয় ছিল নেটওয়ার্ক। এক-একজনের দায়িত্বে ছিল এক-একটি বিভাগ। রাজধানীর বুকে বড়সড় হামলার ছকে সামিল ছিল প্রত্যেকে। ভিতরে ভিতরে চলছিল প্রশিক্ষণ। সেই আইএস মডিউল মূল মাথাদের নাম প্রকাশ করল এনআইএ মুফতি মহম্মদ সোহেল ওরফে হজরত, বয়স ২৯ মডিউলের চাঁই। উত্তরপ্রদেশের আমরোহার বাসিন্দা সোহেল গোটা ছকের মাস্টারমাইন্ড। এনআইএ জানাচ্ছে, ভারতে আইএস সংগঠনের মূল শাখা হরকত - উল -হার্ব- ই -ইসলাম-এর প্রধান হিসেবে কাজ করছিল সে। উত্তরপ্রদেশের হাসিম রোডের একটি  মাদ্রাসার মুফতি পদে ছিল সোহেল। তবে, এনআইএ-র কাছে খবর ছিল বেশ কিছুদিন ধরে দিল্লির জাফরাবাদ থেকে জঙ্গি কার্যকলাপ চালাচ্ছিল সে। তার কাজই ছিল তরুণ মুসলিম যুবকদের মগজধোলাই করে সংগঠনে আনা। তাতে কিছুটা হলেও সফল সে। কারণ, গ্রেফতার হওয়া দশ জনই সোহেলের অনুগামী বলে জানাচ্ছে এনআইএ। মূলত, আমরোহা ও জাফরাবাদের মুসলিম তরুণদে টার্গেট করত সোহেল। দিল্লি-উত্তরপ্রদেশে নিজের লোক ছড়িয়ে রেখেছিল এই জঙ্গি। তাদের সঙ্গে ইন্টারনেট ও টেলিগ্রামের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখা হতো। বাইরের জঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার কাজটাও সোহেলই সামলাতো। এনআইএ কাছে আসা তথ্য অনুযায়ী, বাইরের আইএস জঙ্গিদের সঙ্গে ভয়েস মেসেজে কথা বলত সোহেল। টিম মেম্বারদের ভিডিও মেসেজে বিস্ফোরক তৈরির প্রশিক্ষণ দিত।‘IS terror plot’ busted: From Amity student to welders who helped make rocket launcher

মুফতি মহম্মদ সোহেল

  আনাস ইউনুস, বয়স ২৪ সোহেলর ডান হাত সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এই ছাত্র। অ্যামিটি ইউনিভার্সিটিতে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছিল আনাস। সোহেলের সংস্পর্শে আসে কয়েক মাস আগেই। এনআইএ আইজি অলোক মিত্তল জানাচ্ছেন, বিস্ফোরকে ব্যবহৃত বিভিন্ন ইলেকট্রনিক জিনিস,অ্যালার্ম ক্লক তৈরির দায়িত্বে ছিল এই পড়ুয়া। রসিদ জাফর রক ওরফে জাফর, বয়স ২৩ জাফরাবাদেরই ছেলে রসিদ কাপড়ের দোকানে কাজ করত। রসিদের মাধ্যমেই ১৩৪টি সিম কার্ড সংগ্রহ করা হয়। বন্ধুর মোবাইলের দোকান থেকে বিভিন্ন সময় সিম কার্ড নিয়েছে এই তরুণ। সৈয়দ ও রইজ এরা দুই ভাই। আমরোহার সইদাপুর ইম্মায় এদের বিভিন্ন মেশিনের যন্ত্রাংশের কারখানা় আছে। সেই কারখানা থেকেই গতকাল  রকেট লঞ্চার উদ্ধার করে এনআইএ। এছাড়াও বিস্ফোরক তৈরির সামগ্রী, গান পাউডার-সহ প্রায় ২৫ কেজির জিনিস উদ্ধার হয় তাদের কারখানা থেকে। এর মধ্যে ছিল পাইপ বোমা তৈরির জিনিসও। দুজনেরই বয়স ৩০-এর মধ্যে। সোহেলের সঙ্গে এদের পরিচয় অনেক দিনের।  জুবেইর মালিক ও জায়িদ মালিক-  দিল্লি ইউনিভার্সিটির তৃতীয় বর্ষের ছাত্র জুবেইর। জাফরাবাদে ভাই জাইদ ও মা-কে নিয়ে থাকে। এনআইএ জানাচ্ছে, দুই ভাই তাদের মায়ের প্রায় সাত লক্ষ টাকার গয়না চুরি করে লখনউয়ে এক মহিলার কাছে বিক্রি করে। মনে করা হচ্ছে, এই গয়নাই জঙ্গি সংগঠনের ফান্ডিংয়ের কাজে লাগে। যে মহিলাকে গয়না বিক্রি করা হয় তাকেও আটক করেছে এনআইএ। Image result for isis module delhi arrests সাকিব ইফতেকার, বয়স ২৬ উত্তরপ্রদেশের বক্সারের জামা মসজিদের ইমাম সাকিব। সোহেলকে অস্ত্র পাচার করত বহুদিন ধরে। ভারতের বাইরে জঙ্গিদের সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল তার। মহম্মদ ইরশাদ, বয়স ২৭ দিল্লির গাসি মেন্দু এলাকার বাসিন্দা। সিলামপুরে ইরশাদের নিজের ওষুধের দোকান আছে। ইরশাদও অস্ত্র সংগ্রহের কাজে সোহেলকে সাহায্য করত। পড়ুন-দিল্লিতে বড় ধরনের আত্মঘাতী হামলার ছক, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র সহ গ্রেফতার দশ, উদ্ধার রকেট লঞ্চার, বিস্ফোরক ও প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র এছাড়াও সংগঠনে রয়েছে বেশ কয়েকজন মহিলা জঙ্গি। যাদের আত্মঘাতী হামলার জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছিল বলে এনআইএ সূত্রে খবর। বুধবার, দিল্লি-উত্তরপ্রদেশ মিলে মোট ১৬ জায়গায় তল্লাশি চালায় এনআইএ। গোপন সূত্রে পাকা খবর পেয়েই আমরোহায় সোহেলের ডেরায় তল্লাশি চলে। সোহেল সহ গ্রেফতার করা হয় মোট ১০ জনকে। বৃহস্পতিবাই সোহেলকে এনআইএ-র বিশেষ আদালাতে পেশ করা হবে।    

```